অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানান জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি। তিনি জানান, সংবিধানে নারীদের অধিকার সংরক্ষণ ও ক্ষমতায়নের লক্ষে ৫০ জন নারী সদস্যের শপথ নেওয়ার কথা থাকলেও আজ ৪৯ জন সদস্য শপথ নিয়েছেন। একজন সদস্য নির্ধারিত সময়ে কাগজপত্র জমা দিতে না পারায় আইনি প্রক্রিয়ার কারণে আজ শপথ নিতে পারেননি। তবে আদালতের রায় তার পক্ষে আসায় দ্রুতই তিনি শপথ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
নবনির্বাচিত এই নারী সংসদ সদস্যরা দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন চিফ হুইপ। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নারীদের স্বাবলম্বী করতে এবং অভাব দূর করতে ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ডের মতো কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। সংসদে নারীদের এই অংশগ্রহণ সেই কাজকে আরও শক্তিশালী ও বেগবান করবে।’
এক প্রশ্নের জবাবে নূরুল ইসলাম মণি বলেন, ‘নারীরা এখনও কিছুটা পিছিয়ে থাকায় তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে বিশেষ ব্যবস্থার প্রয়োজন পড়ছে।’
শপথ পড়াচ্ছেন স্পিকার, পাশে প্রধানমন্ত্রী
চিফ হুইপ জানান, বিএনপি থেকে এবার ২০ জন নারীকে সরাসরি নির্বাচনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল এবং তাদের মধ্যে কয়েকজন জয়লাভও করেছেন। তবে দুঃখজনকভাবে বিরোধীদলের পক্ষ থেকে সরাসরি নির্বাচনে কোনও নারী সদস্য মনোনয়ন না পেলেও সংরক্ষিত কোটায় তারা প্রতিনিধিত্ব করবেন।
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী এবং এই বিশাল অংশকে সামনে নিয়ে আসা ও তাদের স্বাবলম্বী করাই প্রধানমন্ত্রীর মূল লক্ষ্য। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুসংগঠিত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে নারীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন।’








