তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রের বিরোধিতা অপরাধ, কিন্তু সরকারের বিরোধিতা অপরাধ নয়। সরকারের বিরুদ্ধে যত সমালোচনা হবে, সেই সরকার যদি সৎ ও জনগণের সরকার হয়, তাহলে সমালোচনাকে আমন্ত্রণ করবে। অথচ মাউশি বলে দিলো সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কিছু বলা যাবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘জনপ্রশাসনের সচিবের নামে কোটি টাকার দুর্নীতির ঘটনা এসেছে। তারপরও সে কীকরে সেখানে বহাল থাকে? এ ধরণের একটা ঘটনা জানার পরও তিনি কী করে জনপ্রশাসনের সচিব হিসেবে রয়েছেন?’
অন্তর্বর্তী সরকারের বিপ্লবী সরকার হওয়ার কথা ছিল মন্তব্য করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘সব দোসরদের উৎপাটন করে জনগণের পক্ষে যারা দাঁড়িয়েছিল তাদের দিয়েই প্রশাসন চলার কথা। সেই দোসররা আবার সচিবালয়ের ভেতরে মিছিল করে, দাবিদাওয়া পেশ করে। তারা মনে করছে, এটা তাদের ন্যায্য পাওনা। আজ কী করে সচিবালয়ের ভেতরে সেই পুরোনো দোসরদের লোকেরা আন্দোলন করে এবং ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয়? এটা জনগণ প্রত্যাশা করেনি। এই সরকার ভ্যাট-ট্যাক্স আরোপ করলেন। গণবিরোধী আমলাদের পরামর্শে এটা হয়েছে।’
ডিইএবর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রকৌশলী মো. হানিফের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও ছিলেন– বিএনপি চেয়াপারসনের উপদেষ্টা মো. হাবিবুর রহমান হাবিব, বিএনপির সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. পারভেজ রেজা কাকন প্রমুখ।







