বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন

সময়ই বলে দেবে জুবাইদা রহমান ও জাইমা সরাসরি রাজনীতিতে আসবেন কি না

নিউজ ডেস্ক :
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬

‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পতিত সরকারের মতো নন যে ঘোষণা দেবেন, তাদের রেখে যাওয়া প্রশাসনের সবাই দোষী। যারা প্রকৃত দোষী, সরকার তাদের বেছে বেছে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। আবার এ কাজে প্রশাসনের যারা তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করবেন, তারাও দীর্ঘ সময় ফ্যাসিস্ট সরকারের আজ্ঞাবহ ছিলেন। কাজেই তাদের কাছ থেকেও ভুল তথ্য আসতে পারে। ফলে অনেক গবেষণা ও বিশ্লেষণ করে দেশ পরিচালনা করতে হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারকে।’

প্রশ্ন : ছাত্রদল নেতা থেকে পেশাজীবী নেতা, এখন বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক। এই দীর্ঘ যাত্রা সম্পর্কে কিছু বলুন।

ডা. ফরহাদ হালিম: পরিশ্রম কখনো বিফলে যায় না—এর বাস্তব প্রমাণ আমি নিজেই। শুরুতে ছাত্রদল করেছি, এরপর একাধিক পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃত্বে ছিলাম। আবার ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়কের দায়িত্বও পালন করেছি। সুতরাং সব সময়ই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। এখন বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হয়েছি। এটি আমার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবনে চাওয়া-পাওয়ার শ্রেষ্ঠ উপলব্ধি।

ডা. ফরহাদ হালিম: দীর্ঘদিন বিএনপির জাতীয় কাউন্সিল যথাসময়ে কেন হয়নি, সে বিষয়ে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ কমবেশি অবগত। নিশ্চয়ই দলের পরবর্তী কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। তবে কবে, কখন হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া রয়েছে।

dhakapost
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার। ছবি : আমিনুল ইসলাম

ডা. ফরহাদ হালিম: এ দেশে দখল-চাঁদাবাজি নতুন কোনো ঘটনা নয়। বাস্তবতা হলো, কিছু কিছু জায়গায় দখল-চাঁদাবাজি হতে পারে বা হচ্ছে। এটি অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কিন্তু দলের চেয়ারম্যানের অবস্থান কী? তার নীতি প্রায় জিরো টলারেন্স। যেখানে যার বিরুদ্ধেই দখল-চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠছে, প্রমাণ সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দল থেকে বহিষ্কার করা হচ্ছে। আমার জানা মতে, বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার কারণে এক থেকে দেড় হাজার ব্যক্তিকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এই অপরাধীদের অনেকে ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন জায়গা থেকে বিএনপিতে প্রবেশ করেছেন। আমার স্পষ্ট বক্তব্য, দখলদার ও চাঁদাবাজদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। তারা দখলদার ও চাঁদাবাজ হিসেবেই পরিচিত। দখল-চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে বিএনপির অবস্থানের বড় প্রমাণ হলো, দলের একজন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যকে শুধু অভিযোগের ভিত্তিতেই পদত্যাগ করতে হয়েছে। অথচ অতীতে আওয়ামী লীগের শামীম ওসমানসহ অনেকের বিরুদ্ধে খুনসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ উঠলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

তবে এটাও ঠিক, বহিষ্কারই সমাধান নয়, যদি সংশোধনের আগ্রহ না থাকে। আমি মনে করি, বহিষ্কারের পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থাও গ্রহণ করা উচিত। বহিষ্কারের বিষয়টিকে জেলখানার সঙ্গে তুলনা করা যায়। যেমন, জেলখানায় গেলেই কারও মৃত্যুদণ্ড হয় না, তেমনি বহিষ্কার করলেই কেউ সংশোধিত হয়ে যান না।

প্রশ্ন :  এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীক ছাড়া হতে যাচ্ছে। তবে নির্বাচনে দলীয়ভাবে একক প্রার্থী বিবেচনা করছে বিএনপি। বিষয়টিকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

ডা. ফরহাদ হালিম: দীর্ঘদিন পর এবার দলীয় প্রতীক ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচন হতে যাচ্ছে। নির্বাচনে যিনি প্রার্থী হবেন, তিনি বিএনপি ঘরানার হলে তাকে স্থানীয়ভাবে সমর্থন দেওয়া হবে। তবে কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো সমর্থন দেওয়া হবে না। অবশ্য এই নির্বাচন বিএনপির জন্য যেমন চ্যালেঞ্জ, তেমনি সরকারের জন্যও চ্যালেঞ্জ।

পতিত আওয়ামী লীগ দলীয় প্রতীকে নির্বাচন দেওয়ার মাধ্যমে এমন একটি ব্যবস্থা চেয়েছিল, যাতে সবাই প্রার্থী হতে না পারেন এবং নিজেদের লোকদের প্রতিষ্ঠিত করা যায়। কিন্তু বিএনপি তা চায় না। একটি গ্রামের মানুষ কে বিএনপি, কে আওয়ামী লীগ- তা দেখতে চান না। তারা দেখতে চান, কে ভালো মানুষ। মূলত স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পূর্ণ স্থানীয়ভাবেই হবে। এতে সরকারের কোনো প্রার্থীর পক্ষে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ থাকবে না। প্রার্থীকে ভোটের মাধ্যমেই বিজয়ী হতে হবে।

প্রশ্ন : সরকার ও দল একাকার হয়ে গেছে। এখন বিএনপির দলীয় রাজনীতি অনেকটা নেই বললেই চলে। আপনি কি তা মনে করেন?

ডা. ফরহাদ হালিম: কথাটি আমারও মাঝে মধ্যে মনে হয়। তবে, একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। শেখ হাসিনা বিগত ১৭ বছরে যে জঞ্জাল রেখে গেছেন, আগে তা ঠিক করতে হবে। এটি ঠিক করাও এত সহজ নয়। ধীরে ধীরে এগোতে হচ্ছে। এসব জঞ্জাল রেখে আমরা যদি সংগঠনের দিকে মনোযোগ দিতাম, তাহলে আপনারাই বলতেন দেখুন, বিএনপি ক্ষমতায় এসে রাষ্ট্র ঠিক না করে নিজেদের দল নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। এর মধ্যেই সর্বশেষ দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকেও সংগঠনকে কীভাবে আরও গতিশীল করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আশা করি, আগামী মাস থেকে এর কার্যক্রম দৃশ্যমান হবে।

প্রশ্ন :  বিএনপির ১১টি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের মধ্যে একটি ছাড়া বাকি সংগঠনগুলোর কমিটির মেয়াদ নেই। এসব সংগঠনে কবে নতুন কমিটি দেওয়া হতে পারে?

ডা. ফরহাদ হালিম: খুব শিগগিরই মেয়াদোত্তীর্ণ সব কমিটি নতুন করে ঢেলে সাজানো হবে। ইতোমধ্যে সেই প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এখন শুধু নতুন কমিটিগুলো দৃশ্যমান হওয়ার অপেক্ষা।

তাছাড়া দুঃসময়ে যারা দলের পক্ষে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাদের পরবর্তী গন্তব্য ঠিক না করে নতুন নেতৃত্ব তৈরি করাও সব সময় ভালো বার্তা দেয় না। যেমন, দল ক্ষমতাসীন হওয়ার পরপরই যদি সব কমিটি ভেঙে দেওয়া হতো, তাহলে আপনারাই লিখতেন, ক্ষমতায় যেতে না যেতেই কমিটি ভেঙে দিয়ে ত্যাগী নেতাদের বঞ্চিত করা হলো।

দলের স্পষ্ট বার্তা হলো, এখন নতুন কমিটি করার উপযুক্ত সময় এসেছে। তবে ক্ষমতায় আসার পর খুব বেশি সময় পেরিয়ে যায়নি। চাইলেই সবকিছু রাতারাতি করে ফেলা সম্ভব নয়। শিগগিরই সংগঠনগুলো নতুন কমিটি পাবে।

দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছেন। যাচাই-বাছাই শেষে একটি খসড়া তালিকা বিএনপি চেয়ারম্যানের কাছে উপস্থাপন করা হবে। পরবর্তী সময়ে তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

dhakapost
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার। ছবি : আমিনুল ইসলাম

প্রশ্ন :  বর্তমান সরকার সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার কাছ থেকে কেমন সহযোগিতা পাচ্ছে বলে মনে করেন?

ডা. ফরহাদ হালিম: প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে সমস্যা রয়েছে। চিকিৎসকদের মধ্যে যারা স্বৈরাচারী সরকারের লোক ছিলেন, তাদের কেউ কেউ বর্তমান সরকারকে ব্যর্থ করার চেষ্টা করতে পারেন। একইভাবে প্রকৌশলী, কৃষিবিদ, পুলিশসহ বিভিন্ন জায়গায় এমন লোক রয়েছেন। এসব ঠিক করতে সময় লাগে।

শেখ হাসিনার মতো তো বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নন যে ঘোষণা দেবেন, সবাইকে বদলি করে দাও। সবাই তো দোষী নন। ভালো-মন্দ সব জায়গাতেই রয়েছে। যারা দোষী, তাদের খুঁজে বের করতে হবে।

প্রশ্ন হলো, তথ্য কার কাছ থেকে নেবেন? ডিজিএফআইয়ের কাছ থেকে। সেখানে কারা রয়েছেন? তারাও দীর্ঘদিন ফ্যাসিস্ট সরকারের আজ্ঞাবহ ছিলেন। কাজেই সেখান থেকেও ভুল তথ্য আসতে পারে কিংবা সঠিক তথ্য নাও আসতে পারে। অনেক কিছু গবেষণা ও বিশ্লেষণ করে সরকারকে দেশ পরিচালনা করতে হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী যে এখন সুস্থ রয়েছেন, এটাই শুকরিয়া। বিগত ছয় মাসে প্রধানমন্ত্রী দেশের কল্যাণে যা দেখিয়েছেন, অনেক সরকার তা করতে পারেনি।

প্রশ্ন :  : প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে সরাসরি রাজনীতিতে দেখার সম্ভাবনা কতটুকু?

ডা. ফরহাদ হালিম: বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের পর সময়ের পরিক্রমায় দলের হাল ধরেছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি মৃত্যুর দিন পর্যন্ত দলের চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করেছেন। এখন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অন্যদিকে তিনি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী।

এছাড়া ডা. জুবাইদা রহমান ও ব্যারিস্টার জাইমা রহমান সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত না হলেও তারা রাজনীতির বাইরের কেউ নন। তারাও রাজনৈতিক পরিবারের অংশীজন। ডা. জুবাইদা রহমান এখন সামাজিক কার্যক্রমে বেশ সক্রিয় রয়েছেন। রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও অংশ নিচ্ছেন। আর জাইমা রহমান গত বছরও তার বাবা তারেক রহমানের প্রতিনিধি হিসেবে বিদেশে (আমেরিকা) কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। এমনকি বিদেশে থেকেও দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। সবশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাইতে তৎপর ছিলেন তিনি। কাজেই সময়ই সবকিছু বলে দেবে।

প্রশ্ন :  : জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের মূল ভিশন কী?

ডা. ফরহাদ হালিম: রাজনীতির বাইরে দলমত-নির্বিশেষে মানুষের কল্যাণে কাজ করার লক্ষ্য নিয়েই জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সংগঠনটি অনেকটাই নীরবে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু এক-এগারোর সরকারের আমলে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে যখন অনুভব করলাম, রাজনৈতিক কার্যক্রমের বাইরে তারেক রহমানের পরিকল্পনা ও কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ততা তুলে ধরা প্রয়োজন, তখন সেই প্রয়োজন থেকেই শেষ পর্যন্ত জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন দৃশ্যমান হয়ে ওঠে।

বর্তমানে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান তারেক রহমান, নির্বাহী পরিচালক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান এবং পরিচালক ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

প্রশ্ন :   একজন চিকিৎসক হিসেবে দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতিকে কীভাবে দেখছেন?

ডা. ফরহাদ হালিম: শুধু ডেঙ্গুতে মৃত্যু নয়, কোনো ধরনের অস্বাভাবিক মৃত্যুই কাম্য নয়। বর্তমান সরকার যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আশা করছি, শিগগিরই ডেঙ্গু পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

প্রশ্ন :  অন্যান্য সংগঠনের তুলনায় পেশাজীবী সংগঠনগুলো এগিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করেন অনেকে। এর পেছনে মূল কারণ কী?

ডা. ফরহাদ হালিম: সরাসরি রাজনৈতিক সংগঠন ও পেশাজীবী সংগঠনের মধ্যে ভিন্নতা থাকলেও রাজনীতির ক্ষেত্রে প্রতিটি সংগঠন প্রায় একই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে থাকে। বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সরাসরি রাজনৈতিক সংগঠনগুলো যখন কর্মসূচি নিয়ে রাজপথে নামতে পারে না, তখন পেশাজীবী সংগঠনগুলো রাজপথে এগিয়ে আসে। সবশেষ ছাত্র আন্দোলনেও পেশাজীবীদের বড় ভূমিকা ছিল। তারপরও পেশাজীবী সংগঠনগুলোকে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে রয়েছে বলব না। বরং বলব, তারা নিজ নিজ কর্মদক্ষতায় এগিয়ে যাচ্ছে।

প্রশ্ন :   বর্তমান সরকার আবারও গ্রাম সরকার চালু করার উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে। বিষয়টিকে কীভাবে দেখছেন?

ডা. ফরহাদ হালিম: সম্প্রতি এ নিয়ে কথা উঠেছে। নিঃসন্দেহে এটি একটি ভালো উদ্যোগ।


এই বিভাগের আরো খবর