আপত্বকের যত্ন নেওয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো তাকে সূর্য থেকে রক্ষা করা। দীর্ঘ সময় রোদের সংস্পর্শে থাকলে বলিরেখা, বয়সের ছাপ এবং অন্যান্য ত্বকের সমস্যা হতে পারে। এটি ত্বকের ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে।
সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। কমপক্ষে ৩০ এসপিএফ যুক্ত ব্রড-স্পেকট্রাম সানস্ক্রিন হাতের তালুর সমান পরিমাণে ব্যবহার করুন। প্রতি দুই ঘণ্টা পর পর আরও সানস্ক্রিন লাগান।
সুরক্ষামূলক পোশাক পরুন। ঘন বুননের লম্বা হাতার শার্ট, লম্বা প্যান্ট এবং চওড়া কিনারাযুক্ত টুপি দিয়ে আপনার ত্বক ঢেকে রাখুন। হালকা রঙের পোশাকের চেয়ে গাঢ় রঙের পোশাক বেশি সুরক্ষা দেয়। কিছু রোদরোধী পোশাক ইউভি রশ্মি আটকানোর জন্য তৈরি করা হয়। ।
২. ধূমপান করবেন না
৩. ত্বকের প্রতি কোমল আচরণ করুন
প্রতিদিনের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং শেভিং ত্বকের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। ত্বকের কোমল যত্নের জন্য গোসলে সময় সীমিত করুন। কিছু বিশেষজ্ঞের মতে, একবারে পাঁচ মিনিটের বেশি গোসল না করাই আদর্শ। গরম পানিরর পরিবর্তে উষ্ণ পানি ব্যবহার করুন।
কড়া সাবান ব্যবহার করবেন না। কড়া সাবান এবং ডিটারজেন্ট ত্বক থেকে তেল শুষে নিতে পারে। এর পরিবর্তে মৃদু ক্লিনজার বেছে নিন। ধোয়া বা গোসলের পরে একটি তোয়ালে দিয়ে আলতো করে চাপ দিয়ে বা চেপে চেপে আপনার ত্বক শুকিয়ে নিন। এইভাবে আপনার ত্বকে কিছুটা আর্দ্রতা থেকে যাবে।
শুষ্ক ত্বকে ময়েশ্চারাইজার লাগান। আপনার ত্বক শুষ্ক হলে ত্বকের ধরনের সঙ্গে মানানসই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। প্রতিদিন ব্যবহারের জন্য, এসপিএফ (SPF) যুক্ত একটি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করে দেখুন যা আপনার ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করবে।
৪. স্বাস্থ্যকর খাবার খান
সুষম খাদ্য আপনাকে সুস্থ ও সুন্দর থাকতে সাহায্য করতে পারে। প্রচুর ফল, শাক-সবজি, শস্যদানা এবং চর্বিহীন প্রোটিন খান। তাজা ফল এবং শাক-সবজি ত্বকের অকাল বার্ধক্যের কারণ হতে পারে এমন ক্ষতি প্রতিরোধে বিশেষভাবে সহায়ক হতে পারে। আপনার ত্বককে আর্দ্র রাখতে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার ও পানীয়, প্রক্রিয়াজাত স্ন্যাকস এবং অন্যান্য পরিশোধিত শর্করা সীমিত করুন। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে পুষ্টিহীন পরিশোধিত শর্করা সমৃদ্ধ খাবার বার্ধক্যকে ত্বরান্বিত করতে পারে।
খাদ্যাভ্যাস এবং ব্রণের মধ্যে সম্পর্ক স্পষ্ট নয়। তবে কিছু গবেষণা ব্রণের সঙ্গে প্রচুর দুধ পান করা বা এমন প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার যোগসূত্র স্থাপন করেছে যা দ্রুত রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। সীমিত গবেষণা থেকে জানা যায় যে, ফাইবার এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটের মতো পুষ্টি উপাদান ব্রণ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। তবে নিশ্চিত হওয়ার জন্য আরও গবেষণার প্রয়োজন।
৫. মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করুন
অতিরিক্ত মানসিক চাপ ত্বককে আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে এবং ব্রণের প্রাদুর্ভাব ও অন্যান্য ত্বকের সমস্যার কারণ হতে পারে। সুস্থ ত্বক ও সুস্থ মানসিক অবস্থা পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়াতে, আপনার মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে কিছু পদক্ষেপ নিন। পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন।
আপনার দৈনন্দিন জীবনে আরও বেশি শারীরিক কার্যকলাপ যোগ করুন, যেমন দ্রুত হাঁটা। করণীয় কাজের তালিকা ছোট করুন। ধ্যান বা যোগব্যায়াম চেষ্টা করুন। পছন্দের কাজগুলো করার এবং প্রিয় মানুষদের সাথে দেখা করার জন্য সময় বের করুন।







