যে জাহাজটিকে পাঠানোর জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে, সেটির নাম আএফএ লিমে বে’। এটির দৈর্ঘ ৫৮০ ফুট।
আরএফএ লিমে বে’ অবশ্য রসদবাহী জাহাজ; অর্থাৎ এই জাহাজটি মূলত ব্রিটিশ নৌ ও সামরিক সেনাদের কাছে অস্ত্র, যুদ্ধের সরঞ্জাম ও সেনাদের বহনের কাজে ব্যবহার করা হয়। এখন এটিকে আন্ডারওয়াটার ড্রোন বহন ও পরিচালনার উপযোগী করে সাজানো হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন ব্রিটেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
জন হ্যালি জানিয়েছেন, আরএফএ লিমে বে’-এর পাশাপাশি হরমুজ ও মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় যুদ্ধজাহাজ এবং যুদ্ধবিমানও পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য। এসবের কাজ হবে হরমুজে চলাচলরত বাণিজ্য জাহাজগুলোকে নিরাপত্তা প্রদান।
আরব সাগর এবং পারস্য উপসাগরকে যুক্ত করা হরমুজ প্রণালী আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ রুট। প্রতিদিন বিশ্বে যত তেল ও তরল গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল করে, সেসবের ২০ শতাংশই এই রুট ব্যবহার করে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ জারি করে ইরান। দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর পক্ষ থেকে বলা হয়, যুদ্ধ যতদিন চলবে— ততদিন এ প্রণালি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের যেসব মিত্র এই যুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি বাহিনীকে সহায়তা করছে— তাদের জাহাজ চলাচল করতে পারবে না।
গত এক মাসে হরমুজে বেশ কয়েকটি জাহাজে হামলাও চালিয়েছে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা আইআরজিসি। ব্রিটেনের সামুদ্রিক জাহাজ চলাচল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুসারে, গত এক মাসে হরমুজে ইরানি হামলার শিকার হয়েছে এক ডজনেরও বেশি তেলবাহী বাণিজ্যিক জাহাজ।







