মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা দেখছি শেখ হাসিনা ভারতে বসে হেট স্পিচ দিয়ে যাচ্ছেন। হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। সাক্ষীদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। বিচারকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য তিনি এসব করছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘ট্রাইব্যুনালের আদেশ রয়েছে শেখ হাসিনার হেট স্পিচ প্রচার না করার। এরপরও দেখছি কিছু গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার হেট স্পিচ প্রচার করছে। আমরা অনুরোধ করবো তার হেট স্পিচ প্রচার না করার। ট্রাইব্যুনালের বিচারকে প্রভাবিত করে, বাধাগ্রস্ত করে শেখ হাসিনার এমন বক্তব্য যদি প্রচার অব্যাহত রাখা হয় তাহলে আমরা পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাববো।’
এর আগে ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর জুলাই-আগস্ট গণহত্যার অভিযোগে পরোয়ানাভুক্ত আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘বিদ্বেষমূলক’ বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞাদেশ আরোপ করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ‘বিদ্বেষমূলক’ বক্তব্য সংক্রান্ত দেশি-বিদেশি আইনের ওপর শুনানি নিয়ে ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন। প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আল নোমানের আবেদনের শুনানি নিয়ে ‘তিনি (শেখ হাসিনা) যেসব বলছেন তা হেট ম্পিচ। সেগুলো বন্ধেই এ আবেদন করা হয়।’
ওই আবেদনের ওপর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শুনানি হয়।







