‘হামলাকারীদের বিচার নিশ্চিতের বদলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীসহ ৩৭ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে। যা অপরাধীদের ছাড় দিয়ে অপরাধের শিকার ব্যক্তিদেরই শাস্তি দেওয়ার শামিল।’
পাশাপাশি শিক্ষার্থী-জনতার অভ্যুত্থানের ফলে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সূচনা ঘটলেও দলীয় সন্ত্রাস ও মাস্তানি বন্ধের বদলে খোদ রাজনীতিই নিষিদ্ধ করে বিরাজনীতিকরণের চর্চাকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। যা আপাত দৃষ্টিতে কল্যাণকর মনে হলেও আদতে শিক্ষার্থীদেরই স্বার্থ পরিপন্থী।’
‘আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা দুই দফায় প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে লিখিতভাবে তাদের দাবি ও অবস্থান ব্যাক্ত করলেও সরকার বরাবরই তাদের কণ্ঠস্বরকে উপেক্ষা করেছে, যা শিক্ষার্থী-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত সরকারের হঠকারী সিদ্ধান্ত বলেই প্রতিয়মান হয়।’
বর্তমানে শিক্ষার্থীরা তাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ প্রশাসনিক প্রধান উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করছেন। ‘বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন এবং প্রশাসনের অন্যায় সিদ্ধান্ত ও আচরণে ক্ষুব্ধ।’
শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ও চলমান অবস্থা নিরসনের লক্ষ্যে কয়েকটি দাবি জানিয়েছে শিক্ষক নেটওয়ার্ক। সেগুলো হলো—অবিলম্বে অনশনরত শিক্ষার্থীদের ন্যায়সংগত দাবি মেনে নিতে হবে, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীসহ ৩৭ জন শিক্ষার্থীর গণবহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করতে হবে, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করতে হবে, আহত শিক্ষার্থীদের সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা যারা ছাত্রদের ওপর হামলা করে গুরুতরভাবে আহত করেছে তাঁদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।








