রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী (ঈশা) বলেছেন, শিক্ষা মানুষকে আলোকিত করে, আর সেই আলোকিত মানুষই একটি জাতিকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বেলা ১২টায় রাজশাহী নগরীর হেতমখায় মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ের মিলনায়তনে নবীন বরণ ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “তোমরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তোমাদের সততা, অধ্যবসায় ও নৈতিকতার মধ্য দিয়েই দেশ গড়ে উঠবে। নিয়মিত পড়াশোনা, শৃঙ্খলা মেনে চলা এবং শিক্ষক-অভিভাবকদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে নিজেদেরকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।”
এসএসসি পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “তোমরা জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে উপনীত হয়েছো। সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হচ্ছে। আত্মবিশ্বাস ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তোমরা অবশ্যই সফলতা অর্জন করবেএই বিশ্বাস আমার রয়েছে। দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা ও নৈতিক মূল্যবোধ ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, দক্ষতাভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ চলছে। শেষে তিনি বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য শুভকামনা জানিয়ে সকলের সুস্বাস্থ্য ও সাফল্য কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষানুরাগী মো. সরফরাজ নেওয়াজ খান সজল, নৈশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.শাহাবুদ্দিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. একরামুল হক।
এ সময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল হামিম, সিনিয়র শিক্ষিকা মনিরা ফেরদৌসী ও সাবিনা ইয়াসমিন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিনিয়র শিক্ষক তরিকুল ইসলাম।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সহকারী শিক্ষক সোহানা শারমিন, মো. ইস্তেকোয়ামুল এহসান, মোছা. ফারহানা আফরোজ, মো. সিদ্দিকুর রহমান, মোছা. সানুওয়ারা খাতুন, মোছা. হাবিবা খাতুন হাসি-সহ বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।