সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কানাইডাঙ্গা এলাকার ‘মেসার্স জিএস ট্রেডার্স’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। এ সময় ওই প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী ও খুচরা কীটনাশক ব্যবসায়ী নাসিরউদ্দিনের (৪৫) বাড়ির পেছনের একটি গোয়ালঘরে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে গোয়ালঘর থেকে অবৈধভাবে লুকিয়ে রাখা ৮৬ বস্তা এমওপি (পটাশ) এবং ৪৬ বস্তা ডিওপি সার উদ্ধার করা হয়। অভিযুক্ত নাসিরউদ্দিন সরকারি অনুমোদিত কোনও সার ডিলার নন। তিনি মূলত একজন খুচরা কীটনাশক ব্যবসায়ী। লাইসেন্স বা কোনও বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই অধিক মুনাফার উদ্দেশে তিনি এই বিপুল পরিমাণ সার অবৈধভাবে মজুত করেছিলেন। সারের এই অবৈধ মজুতের অপরাধ স্বীকার করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে শাস্তির আদেশ দেন এবং অবৈধভাবে রাখা সব সার জব্দ করেন।
অভিযান শেষে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান বলেন, চলতি আমন মৌসুমে কৃষকরা যেন সার সংকটে না পড়েন এবং সঠিক মূল্যে সার পান, তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন তৎপর রয়েছে। ডিলার বা খুচরা বিক্রেতা যে-ই হোক না কেন, অনুমোদন ছাড়া অবৈধভাবে সার মজুত কিংবা সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করলে কোনও ছাড় দেওয়া হবে না। কৃষক স্বার্থ সুরক্ষায় এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে আমাদের এই নিয়মিত মনিটরিং ও কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযানকালে স্থানীয় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা ও গোদাগাড়ী মডেল থানা পুলিশের একটি দল ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে। জব্দ করা সারগুলো পরে নিয়ম অনুযায়ী কৃষকদের মাঝে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির ব্যবস্থা করা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে।







