ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর তারেক রহমানের এটিই প্রথম নয়াদিল্লি সফর হতে যাচ্ছে। ২০২৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর থেকে প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন দেখা দেয়। সেই সম্পর্ক জোরদার করতে দুই দেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে আলোচনা চালিয়ে আসছে।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা এবং বর্তমানে তিনি সেখানেই নির্বাসিত আছেন। ঢাকা বারবার তাকে প্রত্যর্পণের জন্য নয়াদিল্লিকে অনুরোধ জানিয়ে আসছে। ভারত জানিয়েছে তারা অনুরোধটি পর্যালোচনা করে দেখছে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ রয়টার্সকে বলেন, সফরের বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। শেখ হাসিনা ও অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের প্রত্যর্পণের বিষয়ে ঢাকা ভারতের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে বলে তিনি জানান।
এদিকে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, সফর নিয়ে তাদের কোনও মন্তব্য নেই।
ক্ষমতায় আসার পর তারেক রহমানের ছয় মাসের পুরোনো সরকার ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতে চেয়েছে। তবে সম্প্রতি শেখ হাসিনা সাংবাদিকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার পর ঢাকা এর তীব্র নিন্দা জানায়। এর কয়েক দিন পর সরকার ইঙ্গিত দেয় যে এই সফরের জন্য আরও অনুকূল কূটনৈতিক পরিবেশ প্রয়োজন।







