একবার খোলার পরে ডাবের পানির স্বাদ এবং গুণগত মান খুব দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে। ডাব থেকে পানি বের করার পর এক থেকে দুই দিনের মধ্যে অবশ্যই খেয়ে ফেলবেন। বের করা পানি সাথে সাথে অবশ্যই ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। বাতাসের সংস্পর্শে এটি গুণমান হারাতে থাকে। যদি উষ্ণ আবহাওয়ায় একটি খোলা বোতল রেখে দেন, তাহলে মাত্র ২ থেকে ৪ ঘন্টার মধ্যে গাঁজন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে।
ডাবের পানি খাওয়ার উপকারিতা
- হেলথলাইন ওয়েবসাইট বলছে, ডাবের পানিতে বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রয়েছে। ম্যাংগানিজ, কপার, সেলেনিয়াম, আয়রন, কপার, ফসফরাস, পটাসিয়াম ও সোডিয়ামের উৎস ডাবের পানি। এগুলো আমাদের সুস্থতার জন্য আবশ্যক।
- ডাবের পানি শরীরের পানির চাহিদা পূরণ করে। ডাবে থাকা ইলেকট্রোলাইট ডায়ারিয়া, বমি এবং অতিরিক্ত ঘামের পর শরীরের খনিজের ঘাটতি মেটাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এ কারণে অতিরিক্ত গরমে দাবের পানি পান করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।
- পটাশিয়ামের দারুণ উৎস ডাবের পানি। ১ কাপ ডাবের পানিতে ৬০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম মেলে যা দৈনিক চাহিদার ১৬ শতাংশ পূরণ করতে পারে। কিডনি ফাংশন এবং পেশী সংকোচনসহ পটাশিয়াম শরীরের গুরুত্বপূর্ণ সব কাজ করে।
- এক কাপ ডাবের পানিতে ৪৫ ক্যালোরি রয়েছে। অ্যাকাডেমি অব নিউট্রিশন অ্যান্ড ডায়েটেটিক্স বলছে, এটি সোডা এবং জুসের মতো পানীয়গুলোর দুর্দান্ত বিকল্প। এসব পানীয়তে সাধারণত ক্যালোরি, শর্করা এবং কার্বোহাইড্রেট বেশি থাকে।
- ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল জানার্লে প্রকাশিত একটি গবেষণা বলছে, ডাবের পানিতে থাকা বিভিন্ন উপাদান রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
- নিয়মিত ডাবের পানি খেলে কিডনির স্বাস্থ্য ভালো থাকে। ২০১৮ সালের একটি সমীক্ষা বলছে, প্রস্রাবের সময় আরও বেশি সাইট্রেট, পটাশিয়াম এবং ক্লোরাইড হারাতে সাহায্য করে এই পানি, যা নির্দেশ করে যে ডাবের পানি পাথর আলগা করতে বা তাদের গঠনে বাধা দিতে পারে।







