শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন

বৃত্তি পরীক্ষায় বেসরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রতি বৈষম্য নেই: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

নিউজ ডেস্ক
আপডেট : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বেসরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রতি কোনো বৈষম্য নেই বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। আজ (শুক্রবার) সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বাদশাহ ফয়সল ইনস্টিটিউটে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘বৃত্তি পরীক্ষায় সরকারি ও বেসরকারি আনুপাতিক হার হিসেবে বেসরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রতি বৈষম্য হচ্ছে না। সরকারি স্কুলের আটজনের মধ্যে একজন শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষার সুযোগ পাচ্ছে, আর বেসরকারি স্কুলের পাঁচজনে একজন বৃত্তি পরীক্ষার সুযোগ পাচ্ছে। বৃত্তির আনুপাতিক হার হিসেবে বেসরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীরাও সমান সুযোগ পাচ্ছে।

উল্লেখ্য, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী এ বছর বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে মোট ৬ লাখ ৪০ হাজার পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে সরকারি স্কুলের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা সাড়ে ৫ লাখ এবং বেসরকারি স্কুলের ৯০ হাজার।

মোট বৃত্তি দেওয়া হবে সাড়ে ৮২ হাজার শিক্ষার্থীকে। এর মধ্যে সরকারি স্কুলে পাবে ৬৬ হাজার শিক্ষার্থী এবং বেসরকারি স্কুলে সাড়ে ১৬ হাজার জন। বৃত্তির অনুপাত সরকারি স্কুলে ৮:১ এবং বেসরকারিতে ৫.৫:১।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরেজমিনে পরিদর্শনে এসে দেখলাম পরীক্ষা কার্যক্রম সন্তোষজনকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। দেশজুড়ে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অনুকূল পরিবেশে পরীক্ষা দিতে পারছে। এ লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে প্রতিটি কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের জন্য সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়।’

ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘বৃত্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পাঠ্যক্রমে উৎসাহিত করার গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম। পাঠ্যক্রমের প্রতি উৎসাহিত করার কোন প্রসেস আমরা বাদ দিতে চাই না। এজন্য অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে যে পরীক্ষাটা হওয়ার কথা ছিল, সেটিও আমরা চালু রেখেছি।’

সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সকল অংশীজনের সঙ্গে আলাপ করে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালা আপডেট করবে সরকার। বৃত্তির অর্থের পরিমাণ এবং কত সংখ্যক শিক্ষার্থী এই সুবিধা পাবে তা নিয়েও পর্যালোচনা করা হবে। সাংবাদিকদের মতামতও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। সর্বোচ্চ সমতা নিশ্চিত করে আমরা নীতিমালা প্রণয়ন করব।’

পরে প্রতিমন্ত্রী বেঙ্গলী মিডিয়াম হাই স্কুল কেন্দ্র ও মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


এই বিভাগের আরো খবর