এর আগে জুলাইয়ে প্রকাশিত প্রাথমিক তালিকায় ২৬ সেপ্টেম্বর উচ্চ পর্যায়ের বিতর্কে বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল মোদির। ওই দিনই ইসরায়েল, চীন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতা (সাধারণত সরকারপ্রধান) ভাষণ দেওয়ার সূচি রয়েছে।সাধারণ পরিষদে যারা বক্তব্য দিতে পারেন, তাদের তালিকা প্রাথমিকভাবে প্রকাশ করা হলেও উচ্চপর্যায়ের অধিবেশন শুরুর আগে বক্তা বা সময়সূচি পরিবর্তনের সম্ভাবনা থাকে। পূর্বে ভারতের ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ঘটেছে, যেখানে প্রথমে প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে পররাষ্ট্রমন্ত্রী যাওয়ার কথা থাকলেও পরে প্রধানমন্ত্রী নিজেই যোগ দেন।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করতে যুক্তরাষ্ট্র গিয়েছিলেন মোদি। তবে আগের সেই মধুর সম্পর্কে এখন দেখা দিয়েছে তিক্ততা। রুশ তেল কেনার কারণে ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক বৃদ্ধি করে মোট ৫০ শতাংশে নিয়ে গেছেন ট্রাম্প।ধারণা করা হচ্ছে, যদি এতখানি পথ পাড়ি দিয়ে মার্কিন মুলুকে যেতেই হয়, তবে ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক একটা বৈঠক নিশ্চিত করে তবেই যাবেন মোদি।
জাতিসংঘ অধিবেশনে মোদির যোগদান ইস্যুতে ভারত বা যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে এখনও কোনও বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে কিছুদিন আগে শিল্পোন্নত দেশের সম্মেলন জি সেভেনে যোগ দিতে কানাডা গেলেও মার্কিন আতিথেয়তা গ্রহণ না করায় ট্রাম্প মনঃক্ষুণ্ন হয়েছিলেন বলে জানান হোয়াইট হাউজের কয়েকজন কর্মকর্তা।
তথ্যসূত্র: পিটিআই, টাইমস অব ইন্ডিয়া, এনডিটিভি







