এক পোস্টে পিয়া লিখেন, ‘দেখলাম ও (বাচ্চা বানর) একটা নরম খেলনা জড়িয়ে ধরে থাকে। সত্যি বলছি, ভিডিওটা দেখে খারাপ না লেগে পারে না। একটা ছোট্ট প্রাণী শুধু একটু আদর খুঁজছে। কিন্তু এরপর যেটা হলো, সেটা ভালো লাগেনি। অনেক ব্র্যান্ড ওর নাম ট্যাগ করা শুরু করল, নিজের প্রোডাক্টের সাথে ওর গল্প জুড়ে দিল।’
অসহায় প্রাণীর কষ্টকে ‘কনটেন্ট’ হিসেবে ব্যবহারের কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘ইমোশনাল কথা লিখে মার্কেটিং করল। মানে একটা বাচ্চা প্রাণীর কষ্টও এখন কনটেন্ট। আমার কাছে এটা খুব স্বার্থপর লাগে। একটা অসহায় প্রাণীর আবেগকে নিজের লাভের জন্য ব্যবহার করা ঠিক না।’
সবশেষে ভক্ত ও অনুসারীদের প্রতি মানবিক হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে পিয়া লিখেন, ‘দয়া করে একটু মানবিক হই। সম্ভব হলে একটু খাবার দিই, একটু খেয়াল রাখি। রমজান আমাদের শুধু নিজের ইবাদত না, অসহায় প্রাণীদের প্রতিও দায়িত্ব মনে করিয়ে দিক।’
প্রসঙ্গত, শোবিজের পাশাপাশি আইন পেশাতেও যুক্ত পিয়া জান্নাতুল। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তিনি। হবিগঞ্জ-৪ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের সঙ্গে তিনি কাজ করতেন।