বর্ণিল আয়োজনে নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বাংলা বিভাগ বাঙালি ঐতিহ্যের আবহে সোমবার দিনব্যাপী বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ বরণ করেছে। এনবিআইইউ ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে সকাল ১০ টায় কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘এসো হে বৈশাখ’ গানের মাধ্যমে নববর্ষকে বরণ করে নেয়া হয়। বৈশাখ উপলক্ষ্যে প্রকাশিত পত্রিকা ‘বৈশাখী বাউ’ এর মোড়ক ও পাঠ উন্মোচন করা হয়।

এসময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র দাস, ট্রেজারার প্রফেসর মো. আনসার উদ্দিন, ছাত্র উপদেষ্টা ড. নূরে এলিস আকতার জাহান, প্রক্টর এ,জে,এম নূর-ই-আলম, বাংলা বিভাগের প্রধান হাসান ঈমাম সুইট এবং বাংলা বিভাগের দুইজন প্রভাষক মো. গামিউল্লা খান ও শামীমা নাজনীন তনিমা। হাসান ঈমাম সুইট সম্পাদিত ‘বৈশাখী বাউ’ মূলক বৈশাখ নিয়ে শিক্ষার্থীদের অনুভূতির অভিব্যক্তি। যে কারণে এর স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে বৈশাখী মনের হালচাল। ‘বৈশাখী বাউ’ এ প্রকাশিত কবিতাগুলো থেকে লেখকরা কন্ঠে তাদের নিজের কবিতা পাঠ করেন। এসময় সবার হাতে মুড়ি-মুড়কির একটি করে প্যাকেট দেওয়া হয়। কবিতা পাঠ সাথে মুড়ি-মুড়কি চাবানো সমান্তরালি চলতে থাকে। কিছুক্ষণের মধ্যেই বাঙালির ঐতিহ্য ‘গরুর গাড়ী’ এসে উপস্থিত হয়। গাড়োয়ানের ডাক আপনেরা চাইলি অ্যাসেন গাড়ি রেডি। সবাই মিলে গরুর গাড়িতে চড়ে রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়কে আনন্দ র্যালিতে অংশ নেয়। র্যালি শেষ হয় ক্যাম্পাস প্রাঙ্গনে এসে। সময় তখন প্রায় বেলা দুইটা। পান্তা, ইলিশ, মসুর ডাল ভর্তা, মিস্টি কুমড়া ভর্তা, আলু ভর্তা, কাঁচামরিচ, শুকনা মরিচ ও পেয়াজ দিয়ে জমজমাট বাঙালি ভোজের আয়োজন করা হয়। ক্যাম্পাসে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এক আনন্দঘন মুহূর্তের ভেতর দিয়ে পহেলা বৈশাখ ১৪৩২ অতিবাহিত করে।
