এরমধ্যে পুলিশ তাদের জানায়, আগুনে পোড়া এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ তাদের ওই মরদেহের ছবি দেখায়। এরপর কিছুদিন পর রবি কুমারের পরিবার ওই মরদেহটি তাদের সন্তানের বলে শনাক্ত করেন।এরপর মরদেহটি এনে গত ১৩ আগস্ট ধর্মীয় রীতিতে তা দাহ করেন। কিন্তু গত ২ সেপ্টেম্বর তাদের কাছে অপ্রত্যাশিত একটি কল আসে। তাদের ফোনটি করেন কাপুরথালা কেন্দ্রীয় কারাগারের এক কর্মী। তিনি জানান, রবি কুমার নামে একজন তাদের এখানে বন্দি আছেন।তারা বিষয়টি বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। এরপর পরেরদিন কারাগারে গিয়ে দেখেন তাদের ছেলে রবি কুমার সত্যিই জীবিত আছেন এবং তিনি জেলে বন্দি।
এনডিটিভি জানিয়েছে, রবি কুমারকে অকারণে ঘোরাঘুরির কারণে এক মাস আগে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। কিন্তু তার সম্পর্কে এ সময়ের মধ্যে কোনো তথ্য জানতে না পেরে তার মরদেহ মনে করে অন্য আরেকজনের দেহ দাহ করে। সূত্র: এনডিটিভি







