ভারতীয় কাস্টমসের এক কর্মকর্তা বলেন, জ্বালানির ক্ষেত্রে শিলিগুড়ি করিডরের উপর নির্ভর করে থাকে নেপালের ঝাপাসহ একাধিক এলাকা। প্রতিদিন গড়ে ৩০টি করে ট্যাঙ্কার পাঠানো হয়। কিন্তু গত তিন দিন সব বন্ধ ছিল। তবে জ্বালানির ট্যাঙ্কার যাওয়ার ছাড়পত্র মিললেও, সাধারণ যাত্রীবোঝাই গাড়ি যাওয়ার জন্য এখনও অনুমতি মেলেনি।
১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত নেপাল অয়েল কর্পোরেশন প্রথম থেকেই ভারতের জ্বালানি সরবরাহের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। নেপাল থেকে নিয়মিত সীমান্ত পেরিয়ে তেলের ট্যাঙ্কার ভারতে প্রবেশ করে। তারপর তেল নিয়ে আবার ফিরে যায়।নেপালে তেল সরবরাহের ক্ষেত্রে এগিয়ে আছে বিহারের রাক্সাউল, উত্তরপ্রদেশের গোন্ডা এবং পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি। এক পশ্চিমবঙ্গ থেকেই আন্দোলনের আগের দিন পর্যন্ত কমপক্ষে ৩০ থেকে ৪০টি ট্যাঙ্কার গিয়েছে কাঠমান্ডুতে। বাকি দুই রাজ্য থেকেও প্রায় সমপরিমাণ তেল গিয়েছে।







