ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি ফুটবল মাঠ থেকে বের হওয়ার সময় টাইগার শ্রফের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে অনিল পণ্ডিত নামে এক ব্যক্তি হামলার দায় স্বীকার করেন। তিনি নিজেকে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং সদস্য বলে দাবি করেন।
লরেন্স বিষ্ণোই বর্তমানে গুজরাটের কারাগারে রয়েছেন। এর আগে একাধিকবার সালমান খানকে হত্যার হুমকি দিয়েছে তার গ্যাং। ১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলায় সালমানের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের ক্ষোভের কথা সামনে এসেছে। ২০২৩ সালে ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) জানিয়েছিল, বিষ্ণোইয়ের হত্যার পরিকল্পনায় থাকা ১০ জনের তালিকায় শীর্ষে ছিলেন সালমান খান।
টাইগার শ্রফ ও সালমান খান এখন পর্যন্ত কোনও পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে একসঙ্গে অভিনয় করেননি। তবে বলিউডে তাদের পারস্পরিক যোগাযোগ রয়েছে। টাইগারের বলিউডে অভিষেকের পথ তৈরিতে সালমান প্রযোজক সাজিদ নাদিয়াদওয়ালাকে পরামর্শ দিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। টাইগারের বাবা জ্যাকি শ্রফও সালমানের সঙ্গে একাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
হামলার ঘটনায় একজনকে আটক করা হলেও তদন্তের পরবর্তী অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।







