ভারতীয় পার্লামেন্টের সদস্য এবং বিরোধীদল কংগ্রেসের নেতা মনিষ তিওয়ারি বলেছেন, ট্রাম্পের বক্তব্য ভারতের সম্মান ও আত্মমর্যাদায় আঘাত হেনেছে। এখন সময় এসেছে অব্যাহত হুমকি ও অপমানের জবাব দেওয়ার।
রাশিয়ার তেল ক্রয়ের জন্য এককভাবে ভারতকে কাঠগড়ায় দাড় করানো অন্যায় মন্তব্য করে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে বলা হয়, ইউক্রেনের যুদ্ধ সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) মস্কোর সঙ্গে তাদের বাণিজ্যিক সম্পর্ক বহাল রেখেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, রাশিয়া থেকে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ইউরেনিয়াম হেক্সাফ্লোরাইড, প্যালেডিয়াম, সার ও বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ আমদানি চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।তবে এসব দাবির পক্ষে কোনও সূত্র ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়নি।
ভারতের প্রতিক্রিয়ার জবাবে নয়াদিল্লিস্থ মার্কিন দূতাবাস এবং ইইউ প্রতিনিধিদের তরফ থেকে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।২০২২ সালে ইউক্রেনে পূর্ণ মাত্রার আগ্রাসনের পর থেকে রাশিয়ার সঙ্গে তাদের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ব্যাপকভাবে সীমিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউ। অথচ ২০২১ সালে রাশিয়া ছিল ইইউয়ের পঞ্চম বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার।
রয়টার্সের তথ্য অনুসারে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ভারত প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ১৭ লাখ ব্যারেল রুশ তেল আমদানি করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ১ শতাংশ বেশি।
ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ভারতকে রাশিয়া থেকে দূরে থাকার জন্য পশ্চিমা দেশগুলোর চাপের মুখে পড়তে হয়েছে। কিন্তু রাশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতার কারণে এ বিষয়ে বারবার অনীহা জানিয়ে এসেছে নয়াদিল্লি।







