সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ড. সুজন সেনের আচরণ নৈতিক স্খলন হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ সম্পর্কে গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশে এ কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্ট ১৯৭৩-এর ৫৫(৩) ধারায় ড. সুজন সেনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীনকে আহ্বায়ক করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।কমিটির অপর সদস্যরা হচ্ছেন– সিন্ডিকেট সদস্য প্রফেসর মো. রেজাউল করিম-২ ও ড. সুজন সেন কর্তৃক মনোনীত একজন প্রতিনিধি। গত ৯ মার্চ অনুষ্ঠিত রাবি সিন্ডিকেটের ৫৩৭তম সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এর আগে, অযোগ্যতা, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে ড. সুজন সেনকে গত বছরের ২৫ আগস্ট বিভাগ থেকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন শিক্ষার্থীরা। সে বছরের ৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য, ছাত্র উপদেষ্টা ও বিভাগের সভাপতির কাছে বিভিন্ন দুর্নীতি এবং অনিয়মের প্রমাণসহ প্রায় ২০০ পৃষ্ঠার এক লিখিত অভিযোগ জমা দেন তারা। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ৯ সেপ্টেম্বর জরুরি সভায় সুজন সেনকে বিভাগের সব কার্যক্রম থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে তার অনিয়ম ও দুর্নীতি তদন্তে ১৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি কমিটি গঠন করে দেয়।







