
বর্তমানে এই মডেলের বয়স ৩৩ বছর হলেও সেই রাজার ছেলের কাছে কিশোরী বয়সে বেশ নির্যাতিত হয়েছেন- এমনটাই দাবি তার। পোস্টে উল্লেখ করেন, আমার কিশোর বয়সে যা ঘটেছিল তা কোনো সুখের সম্পর্ক ছিল না, কোনো সম্মতির সম্পর্ক ছিল না; এমনকি কোনো বৈধ বিয়েও ছিল না। আমি কখনোই এমন কোনো সম্পর্ক চাইনি, এতে রাজি হইনি বা স্বেচ্ছায় জড়াইনি।
মানোহারা সংবাদমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে লেখেন, আমি ইন্দোনেশিয়ার গণমাধ্যম, সম্পাদক, লেখক এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোকে অনুরোধ করছি, আমার পরিচয় দেওয়ার সময় এই তকমাটি (পেত্রার সাবেক স্ত্রী) ব্যবহার করা বন্ধ করুন। ভুল তথ্য দিয়ে প্রতিবেদন লেখা সাংবাদিকতার নীতি পরিপন্থী।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে মালয়েশিয়ার কেলান্তান রাজ্যের সুলতানের ছেলে টেংকু মুহাম্মদ ফাখরি পেত্রার সঙ্গে মানোহারার বিয়েটি ২০০৮ সালে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। বিয়ের মাত্র এক বছর পর ২০০৯ সালে রাজকীয় পরিবারের সঙ্গে সিঙ্গাপুর সফরের সময় তিনি নাটকীয়ভাবে পালিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় চলে যান। সেই সময় তার পরিবারের, স্থানীয় পুলিশ এবং মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তারা তাকে উদ্ধারে সহায়তা করেছিলেন।