তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, আমার পারিবারিক সম্পর্ক একটি প্রকাশ্য বিষয় এবং মন্ত্রী হওয়ার পর আমি সরকারকে আমার সম্পর্ক ও ব্যক্তিগত সব বিবরণ দিয়েছি। সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে ব্যাপক পরামর্শের পর, আমাকে আমার স্বার্থ ঘোষণায় উল্লেখ করতে বলা হয়েছিল যে, আমার খালা বাংলাদেশে সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ সম্পর্কিত বিষয় থেকে নিজেকে দূরে রাখতে বলা হয়েছিল যাতে স্বার্থের সংঘাতের কোনও ধারণা না জন্মায়। আমি আপনাকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, আমি সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে এবং সরকারি কর্মকর্তাদের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেছি ও করছি। টিউলিপ বলেছেন, তবে, এটি স্পষ্ট যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সচিব হিসেবে আমার দায়িত্ব পালন সরকারের কাজে একটি বাধা হতে পারে। আমার আনুগত্য এই লেবার সরকার এবং জাতীয় পুনর্গঠন ও রূপান্তরের যে কর্মসূচি তা অব্যাহত রাখার প্রতি। তাই আমি আমার মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
এর আগে, সিদ্দিক নিজেই মন্ত্রিত্বের মানদণ্ড পরামর্শদাতার কাছে নিজের নাম পাঠান। অভিযোগ ওঠে, তার ফ্ল্যাট ও বাড়ি এমন ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া যাদের সঙ্গে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তার খালা শেখ হাসিনার সম্পর্ক রয়েছে। শেখ হাসিনা গত বছর গণআন্দোলনের পর পদত্যাগ করে দেশ ছেড়েছিলেন।লন্ডনের কিংস ক্রসের কাছে একটি দুই বেডরুমের ফ্ল্যাট এবং হ্যাম্পস্টেডের অন্য একটি বাড়ি ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে টিউলিপ সিদ্দিক চাপের মধ্যে ছিলেন।যুক্তরাজ্যে টানা চতুর্থবারের মতো এমপি নির্বাচিত হওয়া টিউলিপ সিদ্দিক ব্রিটেনের মন্ত্রিসভায় প্রথম ব্রিটিশ-বাংলাদেশি মন্ত্রী হিসেবে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে নিযুক্ত হন।টিউলিপের পদত্যাগের পর স্টারমার এমা রেনল্ডসকে নতুন মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। এর আগে, ব্রিটিশ পরিবহনমন্ত্রী লুইস হেইগও গত বছর একটি অপরাধমূলক ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে পদত্যাগ করেছিলেন।







