রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন
/ কৃষি
বুকে জেগে ওঠা চরের জমিতে ইরি ও বোরো চাষ করে ভাগ্য ফেরানোর স্বপ্ন দেখছেন উপকুলবর্তী গ্রামের চাষিরা। একসময় যাদের অনেক জমিজমা ছিলো, কিন্তু নদী ভাঙনে কালক্রমে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে আরো পড়ুন
বরেন্দ্র জেলার সদর উপজেলার হাঁপানিয়া ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামের কৃষক রফিকুল ও বৃষ্টি দম্পতি নতুন জাতের ‘লাউ বেগুন’ চাষ করে জেলায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন। দূর থেকে দেখলে মনে হবে লাউ। কিন্তু
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, ‘পাট রফতানির ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি হচ্ছে (কমছে), যা কাঙ্ক্ষিত নয়। পাটের রফতানি আয়ের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা নিয়ে আসেন, তার জন্য
বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষকদের সেচ সেবা বৃদ্ধি ও তাদের বিদ্যমান সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে হটলাইন চালু করেছে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)।দেশের সর্ববৃহৎ সেচ সরবরাহকারী রাষ্ট্রীয় মালিকা নাধীন সংস্থা বিএমডিএ চলতি বোরো
শেরপুরের জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলার তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা আনোয়ার হোসেন (২৯)। তিনি উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের গোমড়া গ্রামের মো. মোজাম্মেল হক (৬০) ও আছমা খাতুন (৪৫) দম্পতির সন্তান। ২০১১ সালে ঝিনাইগাতির রাংটিয়া
সূর্যমুখী ফুলের হাসিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কৃষকের মুখে মুখে এখন হাসির ঝলক। গত ১০ বছর ধরে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা। এ বছর জেলায় ১০০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী ফুলের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা
রমজানের আগেই চড়া হতে শুরু করেছে ফলের বাজার। ইতোমধ্যে বিভিন্ন ফলের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। দাম আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ক্রেতারা বলছেন, রমজানে
জেলায় চলতি বছর সরিষার অধিক ফলন হয়েছে। ইতিমধ্যে সরিষা কাটা ও মাড়াই শুরু হয়েছে। সরিষার অধিক  ফলনে খুশি কৃষক। কৃষি বিভাগ জানায়, শেরপুরে ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরন কর্মসূচির আওতায় ২০২৩-২০২৪ মৌসুমে