রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন
/ বিদেশ
মার্কিন বাহিনীর হামলায় ইরানের নৌবাহিনীর একটি ড্রোনবাহী যুদ্ধজাহাজে আগুন ধরে যাওয়া-সহ গুরুতর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দীয় কমান্ড (সেন্টকোম)-এর মুখপাত্র অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার এ তথ্য জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার আরো পড়ুন
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আবারও বারুদের গন্ধ, আর সেই রণক্ষেত্রে নতুন এক সমীকরণের জন্ম দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিধ্বংসী বিমান হামলার পর হোয়াইট হাউস থেকে দাবি করা হচ্ছে— এই
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি যৌথ অভিযানের পঞ্চম দিনে ইরানে নিহতের সংখ্যা ১,০০০ ছাড়িয়ে গেছে। বুধবার তেহরানসহ ইরানের পবিত্র শহর কোম, ইসফাহান এবং দেশের পশ্চিমাঞ্চলীয় বিভিন্ন নিরাপত্তা স্থাপনায় ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে
যুদ্ধের পঞ্চম দিনে ইসরাইলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, ইসরাইলি সামরিক বাহিনী ইরানে অন্তত ‘আরও এক বা দুই সপ্তাহ’ হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে। একইসঙ্গে তারা লেবাননে তেহরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে নতুন দফা হামলা শুরু
সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় রাস তানুরায় দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি সৌদি আরামকোর একটি স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। সৌদি আরামকোর বৃহত্তম পরিশোধনাগার ওই স্থাপনায় রয়েছে। বুধবার সকালের দিকে সেখানে আবারও ড্রোন
গত চার দিনে আরব সাগর, হরমুজ প্রণালী এবং ওমান উপসাগরে অভিযান চালিয়ে ইরানের নৌবাহিনীর একটি সাবমেরিন এবং ১৭টি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করেছে মার্কিন বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম)-এর অন্যতম
ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় বেশ কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা আইএইএ। মঙ্গলবার সংস্থাটি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু
যুক্তরাষ্ট্রের সমরাস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত ‘এর আগে কখনও এত বেশি ছিল না’ বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্পের মতে, বর্তমানে যে পরিমাণ অস্ত্র মজুত আছে, তা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ‘অনন্তকাল’ যুদ্ধ