ক্রিসমাস পার্টি মানেই রকমারি খাওয়া, জমিয়ে হুল্লোড়। সে কারণে মেনু নিয়ে আলাদা করে ভাবতে হয় বইকি! শুধু বড়রা নয়, থাকবে ছোটরাও। তাই এমন কোনও পদ বানাতে চান, যা মুখরোচক হলেও আরো পড়ুন
মশলার আধিক্য নেই। সাদামাঠা খাবার। রাঁধতেও খুব সময় লাগে না। ভাত বা রুটি, সব কিছুর সঙ্গেই খাওয়া যায়। স্বাদেও যেমন খাসা, পেটও ভরে থাকে অনেক ক্ষণ। এখনকার কর্মব্যস্ত জীবনে এমন
শীতের দিনে ঘন, মসৃণ ক্রিমের মতো মাশরুম স্যুপ খেতে অনেকেরই ভাল লাগে। কিন্তু বাড়িতে স্যুপ বানালেও রেস্তরাঁর মতো স্বাদ হচ্ছে না? তা কখনও বেশি পাতলা হয়ে যাচ্ছে, কখনও আবার ঘন?
শীতকালে নানা রকম সব্জি বাজারে। তবে ছোটরা অনেক সময়েই শাকসব্জি খেতে চায় না। শরীরে যদি অন্য সমস্যা না থাকে তা হলে এই ঠান্ডার সময়ে পালং শাক খেতে বলেন চিকিৎসকেরা। পালং
বিকেল হলেই খাই খাই করে শিশু? বাইরে থেকে রোল-চাউমিন বা পিৎজ়া-বার্গার খাওয়ার জন্য বায়না করে? শীতের এই সময়ে ভুলেও কোনও রকম জাঙ্ক ফুড বা প্রক্রিয়াজাত খাবার শিশুকে খাওয়াবেন না। খুদে
বন্ধুবান্ধব থেকে শুরু করে আত্মীয়-পরিজন, বাড়িতে ছোট-বড় জমায়েত লেগেই থাকে? অতিথিদের খুশি করতে কী রাঁধবেন ভেবেই নাজেহাল হতে হয়? কবাব খেতে কমবেশি সকলেই ভালবাসেন। তাই বাড়িতে কেউ এলে বানিয়ে ফেলুন
শীতের সন্ধ্যায় ভাল কিছু খেতেই মন চায়। আর যদি বাড়িতেই আড্ডার আসর বসান অথবা ঘরোয়া পার্টির আয়োজন করেন, তা হলে তো মেনুতে মুখরোচক খাবার রাখতেই হবে। ভাজাভুজি না হয় করলেন,
শীতের সব্জিতে কড়াইশুঁটি থাকবেই। তা দিয়ে বানানো কচুরির স্বাদ অনবদ্য। তবে শুধু কচুরি নয় কড়াইশুঁটি দিয়ে তৈরি করা যায় নানা স্বাদের নানা পদ। কড়াইশুঁটির টিকিয়া: কড়াইশুঁটি মিক্সিতে ঘুরিয়ে নিন। তবে মিহি করে