রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৭ অপরাহ্ন

ইউপি নির্বাচনের তফসিল চলতি মাসেই, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের রাজনীতিতে ‘না’

নিউজ ডেস্ক :
আপডেট : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চলতি মাসের মধ্যেই ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের বহুল প্রতীক্ষিত তফসিল ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে এই নির্বাচন একসঙ্গে সব ইউনিয়নে না হয়ে ব্যয় সংকোচন নীতি বজায় রেখে ধাপে ধাপে সম্পন্ন করা হবে।

রোববার (০৬ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নিজ কার্যালয়ের সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন কমিশনার।

নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, দেশজুড়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের যে আবহ তৈরি হয়েছে, সেটির অংশ হিসেবে চলতি মাসের শেষেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা সম্ভব হবে। তিনি স্পষ্ট করেন, দেশের সব ইউপি নির্বাচন একই সঙ্গে করা অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে বেশ কঠিন। তাই সরকারের ব্যয় সংকোচন নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ধাপে ধাপে সব ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে ভোটার স্থানান্তর প্রক্রিয়ার বিষয়ে বিভ্রান্তি দূর করে তিনি জানান, ভোটার স্থানান্তর একটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও রুটিন কাজ। অনেকে মনে করেন এই কাজটি কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে করা হয়, যা সঠিক নয়। ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে এবং অনিয়ম রোধে ইসি নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে, যাতে সবাই নিয়মের মধ্যে থেকেই এই সুযোগ নিতে পারেন।

শিক্ষকদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতায় ‘না’ ইসির

জামায়াতের পক্ষ থেকে এমন অভিযোগ তোলা হয়েছিল যে ইসি সরকারের তরফ থেকে কোনো ধরনের চাপে রয়েছে। এই দাবির বিষয়ে কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, নির্বাচন কমিশন সরকারের চাপে আছে, এমন ভিত্তিহীন দাবি তোলাই হচ্ছে মূলত কমিশনকে উল্টো চাপে রাখার একটি রাজনৈতিক কৌশল।

আসন্ন উপ-নির্বাচনগুলোতে ভোটারদের ভোটদান প্রক্রিয়া সহজ ও আধুনিক করতে আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থার বড় ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। পোস্টাল ব্যালট ভোটিংকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও জনবান্ধব ও কার্যকর করে তোলাই ইসির মূল উদ্দেশ্য বলে জানান তিনি।

এছাড়া আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা ও সব ধরনের কারচুপি রোধে নজিরবিহীন নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে। সব ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানোর ব্যবস্থা করা হবে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের জন্য বডি ওর্ন ক্যামেরার সংখ্যা বহুগুণ বাড়ানো হবে এবং যেকোনো বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। সেই সঙ্গে ভোটকেন্দ্রগুলোর অবকাঠামোগত নানা সমস্যা সমাধানের কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন নিশ্চিত করে সার্বিকভাবে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে কমিশন বদ্ধপরিকর।


এই বিভাগের আরো খবর