গাজার উত্তরাঞ্চলের সিটিতে ওই পরিবারের বাড়িতে রাতের বেলা হামলা চালানো হয় বলে জানায় সিভিল ডিফেন্স। নিহত ছয়জনের মধ্যে বাবা, মা ও চার সন্তান রয়েছেন। নিহতদের এক আত্মীয় নিদাল আল-সারাফাতি বলেন, ‘কী বলব? এই ধ্বংসযজ্ঞ কাউকেই ছাড়েনি।’
একটি পুরোনো পুলিশ স্টেশনে চালানো অপর এক হামলায় নয়জন নিহত ও অনেকে আহত হয়েছেন বলে জানায় জাবালিয়া এলাকার ইন্দোনেশীয় হাসপাতাল। ইসরাইলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, জাবালিয়ায় হামলার লক্ষ্য ছিল হামাসের একটি ‘কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র’, যা তাদের ভাষায় ‘সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে ব্যবহৃত হচ্ছিল।’ তবে এটি পুলিশ স্টেশন কি না, সে বিষয়ে কিছু বলেনি তারা।অন্যত্র, আশ্রয় হিসেবে ব্যবহৃত তাবুতে চালানো হামলায় পাঁচজন নিহত হন।
গাজার কেন্দ্রীয় শহর জুয়ায়দায় আরেকটি হামলায় তিনজন নিহত হন, যাদের মধ্যে একজন শিশু। দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিস শহরে একটি বাড়িতে চালানো হামলায় নিহত হয়েছেন আরও দুজন।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মোহাম্মদ ফারিস বলেন, ‘আমরা শান্তভাবে বসে ছিলাম, তখনই মিসাইল এসে পড়ে… কিছুই বুঝতে পারছি না, কী হচ্ছে!’
১৮ মার্চ থেকে শুরু হওয়া নতুন অভিযানের পর থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় কমপক্ষে ১,৯৭৮ জন নিহত হয়েছেন। গাজায় হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ৫১,৩৫৫ জনে।
এই যুদ্ধ শুরু হয়েছিল ২০২৩ সালে হামাসের নেতৃত্বে ইসরাইলে চালানো এক হামলার পর, যাতে ১,২১৮ জন নিহত হন—যাদের বেশিরভাগই ছিলেন বেসামরিক নাগরিক।