শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন

নন্দীগ্রামে জিতবে তৃণমূল: অভিষেক! মমতাকে হারাবো : শুভেন্দু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আপডেট : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

নন্দীগ্রামে এ বার তৃণমূল জিতবে। নিজের লোকসভা কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারে প্রচারে গিয়ে এমনই ভবিষ্যদ্বাণী করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীকে হারিয়ে তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র করের জয় যে নিশ্চিত, সেই কথাও দিয়ে এলেন। অন্য দিকে, নন্দীগ্রামে ভোটের পরের দিন শুক্রবার ভবানীপুরে প্রচারে নেমে বিদায়ী বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু দাবি করলেন, বৃহস্পতিবার নন্দীগ্রামে তৃণমূল প্রার্থীকে ‘বোতলবন্দি’ করে ফেলেছেন। এ বার ভবানীপুরে হারাবেন মমতা বল্দ‍্যোপাধ‍্যায়কে, যেমন গত বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে করেছিলেন। তার পরে ভবানীপুরেই বাড়ি, বিধায়কের দফতর করবেন তিনি। বন্ধ করবেন তৃণমূলের ‘তোলাবাজি’।

ডায়মন্ড হারবার বিধানসভায় তৃণমূলের প্রার্থী পান্নালাল হালদারের হয়ে শুক্রবার রোড শো করেন অভিষেক। সেখানেই প্রচারগাড়ির উপরে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ‘‘একটা প্রেডিকশন (ভবিষ্যদ্বাণী) করে যাব, খুশি হবেন। ২০২৪ সালে এখানে এসে বলেছিলাম, এই মাটিতে যা বলি তা হয়। এই মাটির ভালবাসা। নন্দীগ্রাম তৃণমূল জিতবে, কথা দিয়ে গেলাম।’’

বৃহস্পতিবার, প্রথম দফায় ভোট হয়েছে নন্দীগ্রামে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ওই কেন্দ্রেই মমতাকে ১,৯৫৬ ভোটে হারিয়েছিলেন শুভেন্দু। ফল ঘোষণার পরেই মমতা বলেছিলেন, ‘‘নন্দীগ্রামের মানুষের রায় মেনে নিচ্ছি। কিন্তু ওখানে ভোট লুট হয়েছে। আদালতে যাব আমরা।’’ পরে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী মমতা। এ বার সেখানে প্রার্থী পবিত্র, যিনি অতীতে শুভেন্দুর ‘ঘনিষ্ঠ’ বলে পরিচিত ছিলেন। ২০২৩ সালে বিজেপির প্রতীকে পঞ্চায়েত ভোটে জয়লাভ করে মার্চ মাসে তৃণমূলে যোগদান করেন। দিনের দিনই নন্দীগ্রামে প্রার্থী হন। অভিষেক ডায়মন্ড হারবারে দাঁড়িয়ে সেই পবিত্রের জয় নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করলেন শুক্রবার। তার পরে বলেন, ‘‘৪ তারিখ (মে) দেখা হবে। সবুজ আবির খেলতে পারলে আসব।’’

মুখ্যমন্ত্রী মমতা ভবানীপুরে প্রচারে গিয়ে বার বার বলেছেন, তাঁর বড় হওয়া, শিক্ষা, কর্ম, সবই সেখানে। তিনি সেখানকার পা়ড়ার লোক, ঘরের মেয়ে। পাল্টা শুভেন্দু বলেন, ‘‘আপনারা ভাবছেন তো, আমি এখানে থাকব কি না? আমি এখানেই থাকব। ১৫ বছর তো কোনও বিধায়কের দফতর দেখেননি। আমি এখানেই থাকব। বিধায়কের বাড়িও এখানেই হবে। আটটি ওয়ার্ডে আটটি দফতর হবে।’’ তার পরেই তিনি নন্দীগ্রামের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ‘‘যে ভাবে নন্দীগ্রামে মানুষের পাশে ছিলাম, সে ভাবে ভবানীপুরেও থাকব। শুধু আপনারা নেমে ভোট দেবেন। সকলে নিজেকে হিন্দু মনে করে ভোট দিন। কেউ নিজেকে আলাদা ভাববেন না।’’ তৃণমূলকে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি বিজেপি নেতা। তিনি বলেন, ‘‘আমি একটি আবাসনে গিয়েছিলাম। সেখানে (আবাসিকেরা) বললেন, নাটবল্টু টাইট করতেও তৃণমূলকে টাকা দিতে হয়।’’ এর পরেই শুভেন্দু আশ্বাস দিয়ে বলেন, ‘‘আমি সব বন্ধ করে দেব।


এই বিভাগের আরো খবর