ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচনী প্রচার ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। মঙ্গলবার জগদ্দলের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, তাঁর প্রচারে বাধা দেওয়া হচ্ছে খাস ভবানীপুরেই। মঙ্গলবার সেই অভিযোগ ঘিরে এক দিকে যেমন নির্বাচন কমিশন নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে, অন্য দিকে, মুখ্যমন্ত্রীও সরাসরি এলাকায় নেমে জনসংযোগে জোর বাড়িয়েছেন।
এই পরিস্থিতিতে বিজেপি প্রার্থী তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নাম না-করেই কড়া সুরে আক্রমণ শানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “এক জন গদ্দারকে ভবানীপুরের রিটার্নিং অফিসার করে আনা হয়েছে, যিনি অনুমতি দিতে অস্বীকার করছেন। আমি ভোটের পর দেখব, তাঁর কী হয়! আমাকে আটকাতে পারবেন না। আমি সভা না-করলেও মানুষের সঙ্গে দেখা করব, চা খাব— সাহস থাকলে সেটাও বন্ধ করে দেখান।” তাঁর এই মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
পরে ৭১ নম্বর ওয়ার্ডের গোলমন্দির এবং শীতলা মন্দিরে গিয়েও পুজো দেন মমতা। মন্দির প্রাঙ্গণে উপস্থিত পুরোহিত ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের মতামতও শোনেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এই জনসংযোগ কর্মসূচিতে ছিলেন ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা মেয়র পারিষদ অসীম বসু। তিনি বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী কোনও প্রচার করেননি। কারও কাছে তাঁকে ভোট দেওয়ার অনুরোধও করেননি। কিন্তু সাধারণ মানুষ মুখ্যমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে তাঁকে এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকারকে ফের এক বার ক্ষমতায় আনার বিষয়ে তাঁকে আশ্বস্ত করেছেন।’’