শীতের বাংলায় মিষ্টি মানে নলেন গুড় আর নোনতা মানে কড়াইশুটির কচুরি। সবুজ সবুজ ফুলকো কচুরি ছিঁড়ে তাতে মাখোমাখো ছোট আলুর দম মুড়ে জিভে রাখলেই স্বর্গীয় অনুভূতি। কিন্তু শীতের বাজারে যে শুধু কড়াইশুটির সমাগম হয়, তা তো নয়। শীতের পালংশাকও সমান উপাদেয়। আবার স্বাস্থ্যের দিক থেকেও কড়াইশুটির থেকে অনেক এগিয়ে। সেই পালং শাক দিয়েও গাঢ় সবুজ কচুরি বানিয়ে শীতের সকালের জলখাবার বানাতে পারেন। সঙ্গে যদি কড়াইশুটি খেতেই হয়, তবে কড়াইশুটি দিয়ে বানিয়ে ফেলুন শুকনো শুকনো আলুজিরা মটর। একত্রে কড়াইশুটির কচুরিকেও টেক্কা দিতে পারবে এই জুড়ি।
৩ কাপ কুচোনো পালংশাক
৩ কাপ গরম জল
আড়াই কাপ ঠান্ডা জল
১ চা চামচ রসুন বাটা
১টি ছোট পেঁয়াজ
আধ কাপ ধনেপাতা
আড়াই কাপ আটা বা ময়দা
১/২ চা চামচ জোয়ান
১ চিমটে হিং
স্বাদ মতো নুন এবং চিনি
ভাজার জন্য সাদা তেল
প্রণালী:
এ বার একটি পাত্রে ওই মিশ্রণের সঙ্গে নুন, চিনি, ভাজা জোয়ান হাতে গুঁড়িয়ে নিয়ে দিয়ে দিন। সঙ্গে দিন ৩ টেবিল চামচ সর্ষের তেল এবং হিং। চামচে করে মিশিয়ে নিয়ে এতে আটা বা ময়দা মিশিয়ে ভাল ভাবে মেখে নিন।
কিছু ক্ষণ চাপা দিয়ে রেখে তার পরে ছোট ছোট লেচি কেটে বেলে ভেজে তুলুন।
কড়াইশুটি দিয়ে আলু জিরে

উপকরণ:
দেড় টেবিল চামচ জিরে
১ চিমটে হিং
১ চা চামচ ধনে এবং জিরেগুঁড়ো
১/২ চা চামচ আমচুর
১/৪ টা চামচ হলুদগুঁড়ো
কয়েকটি কারি পাতা
১ টি কাঁচা লঙ্কা কুচি
৪ টি আলু ডুমো করে কেটে সিদ্ধ করে নেওয়া
স্বাদমতো নুন
সামান্য ধনে পাতা
৪ টেবিল চামচ সর্ষের তেল বা সাদা তেল
প্রণালী:
এর পরে এতে কড়াইশুটি দিয়ে মিনিট ৩ নেড়ে নিয়ে তাতে কাঁচা লঙ্কা কুচি, নুন এবং সিদ্ধ আলু দিয়ে ভাল করে মশলার সঙ্গে কষিয়ে নিন। নুন দেখে নিয়ে লেবুর রস দিয়ে সামান্য ধনেপাতা ছড়িয়ে নাড়াচাড়া করে নামিয়ে নিন।