১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের ঘটনা স্মরণ করে প্রিয়াঙ্কা বলেন, আমি সেসব শহীদ, সৈনিক এবং সাহসী মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই, যারা এই যুদ্ধে লড়েছিলেন। এই জয় সম্ভব হয়েছিল তাদের জন্যই। সেসময় ভারত একা ছিল। পুরো বিশ্ব আমাদের কথা শোনেনি। বাংলাদেশে যা ঘটছিল, আমাদের বাংলা ভাই-বোনদের কণ্ঠস্বর কেউ শুনতে চাইছিল না। কিন্তু তখন ভারতের জনগণ একত্রিত হয়েছিল, তাদের সেনাবাহিনী এবং দেশের নেতৃত্বের পাশে দাঁড়িয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, আমি মহান শহীদ ইন্দিরা গান্ধীজিকে শ্রদ্ধা জানাতে চাই। তিনি এমন সাহসিকতা এবং নেতৃত্ব প্রদর্শন করেছিলেন, যার ফলে দেশ বিজয় অর্জন করেছিল।
প্রিয়াঙ্কা উল্লেখ করেন যে সেনা সদর দফতর থেকে পাকিস্তানি সেনাদের আত্মসমর্পণের প্রতীকী ছবিটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এই বিষয়ে তিনি বলেন, এই প্রতীকী ছবিটি ভারতের গৌরবময় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি পুনঃস্থাপন করা উচিত।
বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু এবং খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ওপর কথিত নির্যাতন প্রসঙ্গে প্রিয়াঙ্কা বলেন, ভারত সরকারকে এ বিষয়ে জোরালো অবস্থান নিতে হবে এবং বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে নির্যাতিতদের পূর্ণ সহযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে।
১৯৭১-এর যুদ্ধে ভারতীয় সেনাবাহিনীর অবদান নিয়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আরও কথা বলার পর্যাপ্ত সময় না দেওয়ার অভিযোগে কংগ্রেস সংসদ সদস্যরা পরে লোকসভা থেকে ওয়াকআউট করেন।







