বিগত এক দশকে পারস্পরিক দ্বন্দ্বের জেরে দুদেশই একে অপরের একাধিক কূটনীতিবিদকে বহিষ্কার করে দিয়েছে। এতে দুদেশের দূতাবাসেই তৈরি হয়েছে কর্মী সংকট।গত বছর ক্রেমলিন দাবি করেছিল, ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা ও রাশিয়ার ওপর একগাদা নিষেধাজ্ঞা আরোপের কারণে বাইডেন আমলে মস্কো-ওয়াশিংটন সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। তবে হোয়াইট হাউজের হাল ট্রাম্পের হাতে যাওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি বদলানোর ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ দ্রুত অবসানের ঘোষণা দিয়ে আসছেন ট্রাম্প। আর ওভাল অফিসের মসনদে বসে ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের রাশিয়া নীতি ভেঙে মস্কোর সঙ্গে উন্মুক্ত আলোচনা শুরু করেছেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপের এক সপ্তাহ পার না হতেই সৌদি আরবে দুদেশের শীর্ষ কূটনীতিবিদরা বৈঠকের জন্য মিলিত হন।
ইউক্রেন যুদ্ধের দ্রুত অবসানের পরিকল্পনায় ইউরোপ ও কিয়েভকে পাশ কাটিয়ে সরাসরি পুতিনের সঙ্গে আলোচনা করছেন ট্রাম্প। এতে আলোচনার টেবিলে নিজেদের উপেক্ষিত হওয়া ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় পরে গেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও তার মিত্ররা।
ইস্তাম্বুলের বৈঠক নিয়ে সন্তুষ্ট ওয়াশিংটন। এটি যথেষ্ট গঠনমূলক ছিল বলে দাবি করেছে তারা। গতকালের বৈঠকের ধারাবাহিকতায় সামনের দিনগুলোতে আরও আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে বলে হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে বৈঠকের স্থানকাল এখনও নির্ধারিত হয়নি।







