সিসিটিভির তুলনায় সস্তা বিকল্প আইপি ক্যামেরা দক্ষিণ কোরিয়ায় ‘হোম ক্যামেরা’ নামেও পরিচিত। বাসার ইন্টারনেট সংযোগের সঙ্গে যুক্ত থাকে এসব ক্যামেরা; যা সাধারণত বাসার নিরাপত্তা কিংবা শিশু ও পোষা প্রাণীর দেখভালের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়।
অন্যজন ৭০ হাজার ক্যামেরা হ্যাক করে ৬৪৮টি ভিডিও ১৮ মিলিয়ন উনের সমপরিমাণ সম্পদের বিনিময়ে বিক্রি করেছেন। গত এক বছরে আইপি ক্যামেরার হ্যাকিং ভিডিও অবৈধভাবে বিতরণকারী একটি ওয়েবসাইটে পোস্ট করা মোট ভিডিওর প্রায় ৬২ শতাংশই ওই দুই সন্দেহভাজনের।
বর্তমানে দেশটির পুলিশ ওই ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেওয়ার পদক্ষেপ গ্রহণ এবং এর পরিচালকের বিরুদ্ধে তদন্তে বিদেশি সংস্থার সহযোগিতা নিচ্ছে। এছাড়া এই ঘটনায় আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে; যারা ওই সাইট থেকে ভিডিও কিনে দেখেছিলেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার পুলিশের সাইবার তদন্ত শাখার প্রধান পার্ক উ-হিউন বলেছেন, আইপি ক্যামেরা হ্যাকিং ও অবৈধ চিত্রায়ন ভুক্তভোগীদের জন্য গভীর দুর্ভোগ তৈরি করে। যে কারণে এটি গুরুতর অপরাধ। আমরা কঠোর তদন্তের মাধ্যমে এটি নির্মূল করব।
‘‘অবৈধভাবে ধারণ করা ভিডিও দেখা ও নিজের কাছে রাখা—উভয়ই গুরুতর অপরাধ। এ কারণেও আমরা সক্রিয়ভাবে তদন্ত কাজ পরিচালনা করবো।’’
কর্তৃপক্ষ ৫৮টি স্থানে ভুক্তভোগীদের কাছে গিয়ে কিংবা নোটিশ পাঠিয়ে এই ঘটনার বিষয়ে জানিয়েছে এবং পাসওয়ার্ড পরিবর্তন সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দিয়েছে। তারা ভুক্তভোগীদের ভিডিও মুছে ফেলতে ও ব্লক করতে সহায়তা করছে।