কাটজ জানান, বিমানঘাঁটিতে হামলার অনুমোদন দেওয়ার আগে ইসরায়েল সিরিয়া সরকারকে ‘সর্বোচ্চ পর্যায়ে’ সতর্কবার্তা পাঠায় এবং মার্কিন কর্মকর্তাদের এই গোয়েন্দা তথ্য জানিয়েছিল। তবে ইসরায়েলের দাবির জবাবে সিরিয়া কোনও প্রতিক্রিয়া না দেখানোর পরই এই হামলা চালানো হয়।
তবে ইসরায়েলের এই দাবি পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছে তুরস্ক। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলার আগে বা চলাকালীন সেখানে তুর্কি সামরিক বাহিনীর কোনও প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিল না। সিরিয়ার পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, আবু আল-দুহুরে তুর্কি সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের কোনও পরিকল্পনা তাদের ছিল না। তবে সামরিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য তুরস্কের কর্মকর্তারা ওই স্থাপনা পরিদর্শন করেছিলেন।
গত ১৮ আগস্ট উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার ওই বিমানঘাঁটিতে আটটি বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে রানওয়ে এবং সামরিক সরঞ্জাম সংরক্ষণের সুবিধাসমূহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে এতে কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
মার্কিন দূত টম ব্যারাকের এই হামলাকে ‘অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা বৃদ্ধি’ বলে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে ওয়াশিংটন জানিয়েছে, তারা তুরস্ক, ইসরায়েল ও সিরিয়ার মধ্যে সংঘাত নিরসন বা উত্তেজনা কমানোর একটি ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছে।
ব্যারাকের প্রতিক্রিয়ারও সমালোচনা করেছেন কাটজ। তার দাবি, ব্যারাকের বক্তব্যে ‘অনেক ভুল তথ্য’ রয়েছে এবং এতে এমন কিছু অবস্থান নেওয়া হয়েছে, যা দখলকৃত গোলান মালভূমি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।







