সুপ্রিম কোর্ট বিচারক এবং দলটির সদস্য ইউরিই চুমাক বললেন, এটাই সুলভ পদ্ধতি। তার এই মন্তব্যে স্পষ্ট যে, ইউক্রেন পশ্চিমা সরবরাহকৃত ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে অনিচ্ছুক। চুমাক ও তার দল চা আর হাস্যকৌতুকে তাদের ২৪ ঘণ্টার ডিউটি চালিয়ে যান। তবে তাদের কাজের ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে।
ইউক্রেনের সাইবার ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ ইনফর্মনাপাল্মের ফাঁস করা নথি অনুযায়ী, ২০২৩ সালে আলাবুগা প্রায় ২ হাজার ৭৩৮টি শাহেদ ড্রোন উৎপাদন করেছে। ২০২৪ সালে জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে এটি সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৭৬০।
রাশিয়ার বাড়তি ড্রোন আক্রমণ ইউক্রেনের প্রতিরোধের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। সামরিক বিশেষজ্ঞ স্যামুয়েল বেন্ডেট বলেন, রাশিয়া একাধিক মিথ্যা লক্ষ্যবস্তু তৈরি করে ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে।তবে, ইউক্রেন এখনও প্রতিরোধ চালিয়ে যাচ্ছে। আগস্ট থেকে অক্টোবরের মধ্যে রাশিয়ার ড্রোন হামলার মাত্র ৫ শতাংশ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পেরেছে।যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের মুখপাত্র জন কিরবি বলছেন, রাশিয়ার ড্রোন ইউক্রেনের যুদ্ধে প্রভাব ফেলছে এবং চীনের এই কাজে অংশগ্রহণ উদ্বেগজনক।







