“ধারাবাহিকভাবে এ ধরনের ঘটনা ঘটতে থাকা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লব, রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রীয় সম্পত্তির নিরাপত্তার স্বার্থে আইআরজিসি ‘রেড লাইন’ ঘোষণা করছে। রাষ্ট্রীয় সম্পত্তির ক্ষতির চেষ্টা করলেই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
প্রসঙ্গত, বছরের পর বছর ধরে ইরানের মুদ্রা ইরানি রিয়েলের অবনতি, তার জেরে অসহনীয় মূল্যস্ফীতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় ব্যাপকভাবে বাড়তে থাকায় নাভিশ্বাস উঠছিল ইরানের সাধারণ জনগণের। এই পরিস্থিতিতে গত ২৮ ডিসেম্বর মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির প্রতিবাদে ধর্মঘটের ডাক দেন রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন বাজারের পাইকারি ও খুচারা ব্যবসায়ীরা। সেই ধর্মঘট থেকেই বিক্ষোভের সূত্রপাত।
ইরানের ক্ষমতাসীন ইসলামপন্থি সরকারও বিক্ষোভ দমাতে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। রাজধানীসহ দেশের প্রায় সব শহরে মোতায়েন করা হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের। গতকাল দেশের ইন্টারনেট ও মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে সরকার।
মার্কিন সাময়িকী টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভের গত ১৩ দিনে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের গুলিতে ইরানে নিহত হয়েছেন ২ শতাধিক মানুষ।
এদিকে, ইরানে বিক্ষোভের শুরু থেকেই ক্ষমতাসীন ইসলামপন্থি সরকারকে ট্রাম্প এই মর্মে হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছেন যে সরকার কঠোর পন্থায় আন্দোলন দমনের উদ্যোগ নিলে দেশটিতে সামরিক অভিযান চালাবেন তিনি। এ পর্যন্ত চারবার এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।