এদিন তাকে তার সন্তানসহ আদালতে হাজির করা হয়। এসময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক শেখ নজরুল ইসলাম তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয় এ আসামি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন দমনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে জেল হাজতে আটক রাখা প্রয়োজন।
বিচারকের খাস কামরায় আসামির পক্ষে অ্যাডভোকেট ফারজানা ইয়াসমিন রাখি জামিন চেয়ে শুনানি করেন। আদালত কিছুক্ষণ আদেশ অপেক্ষমাণ রেখে আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আদেশ দেন বলে জানান আসামির এই আইনজীবী। এরপর আসামি পক্ষের আইনজীবীরা জামিন আবেদন পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আসামি জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দেন। এর আগে গতকাল ২০ এপ্রিল রাতে শিল্পী বেগমকে তার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরবর্তীতে আসামি শিল্পীর নির্দেশে ২৩ জুলাই সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় মামলার এজাহারনামীয় আসামিরাসহ আরো অজ্ঞাতপরিচয় ১২০-১৩০ জন আসামি দেশীয় ধারালো অস্ত্র এবং পিস্তল, বোমা নিয়ে ওই শিক্ষার্থীর বাসায় হামলা চালান। এতে আসবাব ও ইলেকট্রনিকস জিনিসপত্র ভাঙচুর করে পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেন। তিন লাখ টাকা মূল্যের বাসার বিভিন্ন মালামাল লুটপাট ও চুরি করে নিয়ে যান। ভুক্তভোগীর বাসার সামনে রাস্তার ওপর বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। আসামি শিল্পী ও অন্য আসামিরা হত্যার উদ্দেশ্যে ওই শিক্ষার্থীর পিতা মো. সোহেল রানাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন।
এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ২৫ জানুয়ারি তেজগাঁও থানায় মামলাটি করা হয়।







