এই ডিক্রির অন্যতম বিতর্কিত একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বিয়ের ক্ষেত্রে কোনও ‘কুমারী মেয়ের’ মৌনতাকে সম্মতি হিসেবে গণ্য করা হবে। তবে কোনও ছেলে বা বিবাহিত নারীর মৌনতাকে সম্মতি হিসেবে ধরা হবে না।
এই নিয়মে ‘খিয়ার আল-বুলুগ’ বা ‘যৌবনপ্রাপ্তির পর অধিকার’ নামের একটি আইনি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বয়ঃসন্ধির আগে হওয়া কোনও বিয়ে যৌবনপ্রাপ্ত হওয়ার পর সন্তানের অনুরোধে বাতিল করার বিধান রাখা হয়েছে। তবে এই বাতিল প্রক্রিয়ার জন্য ধর্মীয় আদালতের সম্মতির প্রয়োজন হবে।
এছাড়া জীবনসঙ্গী যদি অনুপযুক্ত বিবেচিত হন কিংবা মোহরানা যদি মাত্রাতিরিক্ত ভারসাম্যহীন হয়, তাহলে সেই বিয়ে আইনি দিক থেকে বৈধ হবে না। ডিক্রিতে তালেবানের বিচারকদের ব্যভিচার, ধর্ম পরিবর্তন, স্বামীর দীর্ঘ অনুপস্থিতি এবং জিহারের (প্রাচীন ইসলামি ধারণা যেখানে স্বামী তার স্ত্রীকে এমন কোনও নারী আত্মীয়ের সঙ্গে তুলনা করেন যাকে বিয়ে করা নিষিদ্ধ) মতো অভিযোগের বিরোধ নিষ্পত্তিতে হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
আফগানিস্তানে বর্তমানে ষষ্ঠ শ্রেণির পর মেয়েদের স্কুলে যাওয়া নিষিদ্ধ, নারীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াও বন্ধ এবং তাদের কর্মসংস্থান, ভ্রমণ ও জনসমাগমে অংশগ্রহণের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি।







