রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন

কেষ্ট ও কাজলকে একসঙ্গে বসিয়ে কঠোর নির্দেশ বক্সীর

ডেস্ক নিউজ :
আপডেট : শনিবার, ১৪ জুন, ২০২৫

২১ জুলাই প্রতি বছরের মতো এ বছরও ধর্মতলায় জনসভা করবে তৃণমূল। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সভার আলাদা তাৎপর্য তৈরি হয়েছে। তার প্রস্তুতির বিষয়ে আলোচনার জন্যই শনিবার জেলার নেতাদের বৈঠক ডাকেন বক্সী। ভবানীপুরে তাঁর দলীয় কার্যালয়ে বৈঠক হয়। প্রতি জেলা থেকে জেলা সভাপতি এবং চেয়ারম্যানকে এই বৈঠকে যোগ দিতে বলা হয়েছিল। বীরভূম এবং উত্তর কলকাতার জেলা সংগঠনে এই দুই পদ নেই। তাই ওই দুই জেলা থেকেই কোর কমিটির সকল সদস্য বৈঠকে যোগ দিতে এসেছিলেন। অনুব্রত এবং কাজল, দু’জনেই বীরভূম তৃণমূলের কোর কমিটির সদস্য। সূত্রের খবর, বৈঠক শুরুর বেশ কিছু ক্ষণ আগেই ভবানীপুরে পৌঁছে গিয়েছিলেন দুই নেতা। তাঁদের আলাদা করে ডেকে নেন বক্সী

ভবানীপুরের বৈঠক শেষে উত্তর কলকাতার নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করেছেন। সেখানে তিনি জানান, অনুব্রত এবং কাজলের মধ্যে যাবতীয় বিবাদ মিটে গিয়েছে। বীরভূম প্রসঙ্গে সুদীপ বলেন, ‘‘বীরভূম জেলার মধ্যে যে বিরোধের কথা প্রচারিত হয়, মূলত দু’টি নামকে কেন্দ্র করে, আজ তাঁদের সঙ্গে একটি যৌথ বৈঠক হয়েছে। সু্ন্দর ভাবে সব কিছু মিটে গিয়েছে। বীরভূম থেকে এ বার রেকর্ড সংখ্যক মানুষ ২১ জুলাইয়ের সমাবেশে যোগ দেবেন।’’ পরে অন্য একটি অনুষ্ঠানে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে অনুব্রত নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। কিছু দিন আগে বোলপুরের আইসিকে ফোন করে গালিগালাজ এবং হুমকি দেওয়ার যে অভিযোগ অনুব্রতের বিরুদ্ধে উঠেছিল, সে প্রসঙ্গে শোভনদেব বলেন, ‘‘অনুব্রতকে তো সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়েছে। তাঁর যথেষ্ট প্রচার, নাম-ডাক আছে। তার পরেও তাঁকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়েছে। চূড়ান্ত ভাবে সংযত করা হয়েছে। যাতে ভবিষ্যতে এরকম কাজ আর না করেন। শাস্তি তো হয়েছে। এই ধরনের ক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপোষ করেন না।’’


এই বিভাগের আরো খবর