রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোটের ২৩ সদস্যবিশিষ্ট প্যানেলে তার নাম ঘোষণা করা হয়।এ বিষয়ে দ্বীপ মাহবুব বলেন, ছাত্র সংসদ মূলত শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের একটি প্ল্যাটফর্ম। ছাত্রশিবির তাদের প্যানেল সাজিয়েছে সবাইকে নিয়ে। জুলাই পরবর্তীতে ছাত্রশিবিরকে আমি কাছ থেকে দেখার ও জানার সুযোগ পাই। তাদের সাংগঠনিক ও আদর্শিক কাঠামো এবং কার্যকলাপ আমাকে আকৃষ্ট করে।
জুলাইয়ের আহত একজন যোদ্ধা হিসেবে তারা যখন আমাকে তাদের প্যানেলে রাখার প্রস্তাব দেয়, তখন আমি প্যানেলটি দেখি এবং আমার মনে হয়েছে এটি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক প্যানেল, যেখানে আমি আমার জায়গা খুঁজে পাই।
তিনি আরও বলেন, জুলাইয়ে আমি একটি চোখ হারিয়েছি, এবং এখনো মস্তিষ্কে গুলির অংশ নিয়ে বেঁচে আছি। আমি যদি নির্বাচিত হই, তাহলে জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের সময়, ৪ আগস্ট পাবনা শহরে শিক্ষার্থীদের এক মিছিলে অতর্কিত গুলি চালায় আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ খান ও তার সহযোগীরা। এ সময় দুই শিক্ষার্থী নিহত হন, আহত হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী দ্বীপ মাহবুবসহ আরও অনেকে।
দ্বীপ মাহবুবের চোখে গুলি লেগে সেটি মস্তিষ্কে পৌঁছে যায়। দীর্ঘ পাঁচ মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি আবারও ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নিতে সক্ষম হন। তবে তার বাম হাত ও পা আংশিকভাবে প্যারালাইজড হয়ে গেছে।