তিনি বলেন, ‘‘ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্ককে যেভাবে উল্টে দিয়েছেন, তাতে আমাদের অনেকেই এখনও হতবাক। অনেকেই প্রশ্ন করেন ট্রাম্পকে কী প্রভাবিত করে। হয়তো পাকিস্তানের তোষামোদি। এছাড়া পাকিস্তান কিংবা তাদের সমর্থক তুরস্ক ও কাতারের পক্ষ থেকে ট্রাম্পকে ঘুষের চেষ্টা… এই ভয়াবহ ঘুষই আমেরিকাকে আগামী কয়েক দশক ধরে কৌশলগত ঘাটতির বোঝা বয়ে বেড়াতে বাধ্য করবে।’’
তিনি বলেন, ভারতকে উপদেশ দেওয়ার পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্রের উচিত কম দামে জ্বালানি সরবরাহ করা। যদি সেটা আমাদের পক্ষে সম্ভব না হয়, তাহলে সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হলো চুপ থাকা। ভারতের আগে ভারতীয় নিরাপত্তাকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে।
গত ৪ ডিসেম্বর ২৩তম ভারত-রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে ভারতে পৌঁছান রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। জ্বালানি, প্রতিরক্ষা এবং বাণিজ্য-কেন্দ্রিক ওই সম্মেলনে পুতিনকে স্বাগত জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি ভারতের প্রতি তার অবিচল অঙ্গীকারের জন্যও পুতিনের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানান তিনি।
মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর পুতিন বলেন, রাশিয়া ভারতকে তেল, গ্যাস, কয়লা—ভারতের জ্বালানি উন্নয়নের জন্য যা যা প্রয়োজন—সবই নির্ভরযোগ্যভাবে সরবরাহ করে আসছে। ভারতের দ্রুতবর্ধনশীল অর্থনীতির জন্য আমরা জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখতে প্রস্তুত।
শুক্রবার রাতে পুতিন তার দিল্লি সফর শেষ করেন। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর তাকে বিদায় জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন।