এ ছাড়া প্যানেলে সাবেক সমন্বয়ক ছাড়াও সাধারণ শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় রাকসু ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে ১৮ সদস্যের প্যানেল ঘোষণা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে জিএস পদপ্রার্থী সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘আমরা দল, মত, মতাদর্শের ঊর্ধ্বে গিয়ে আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করবো। স্বতন্ত্র জায়গা থেকে যারা যোগ্য, তাদের নিয়ে আমরা এই প্যানেল গঠন করার চেষ্টা করেছি। আগামীর ক্যাম্পাসে সাংস্কৃতিক আবহ কেমন হবে, সেটা শিক্ষার্থীদের ভোটের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।’তিনি আরও বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সংসদের ২৩টি পদের মধ্যে ১৮ জন প্রার্থী এবং সিনেটে পাঁচ জন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।’
এ ছাড়া সহ-বিতর্ক-বিষয়ক সম্পাদক আরিয়ান আহমদ, পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে আহসান হাবিব, সহ-সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে ঈশিতা পারভীন তিথি লড়বেন। নির্বাহী সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন সাজ্জাদ হোসাইন, মো. আরিফুল ইসলাম, হাবিব হিমেল। এ ছাড়া সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য পাঁচটি পদে প্যানেল থেকে পাঁচ জনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন- মেহেদী সজীব, সালাউদ্দিন আম্মার, আকিল বিন তালেব, মো. জাকির হোসেন ও আহসান হাবিব।
এর আগে রবিবার দুপুরে প্যানেল ঘোষণা করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির। ছাত্রশিবিরের প্যানেলে জিএস পদে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ফজলে রাব্বি মো. ফাহিম রেজাকে রেখে চমক দেয়। পরে গত সোমবার গণতান্ত্রিক শিক্ষার্থী পর্ষদ ও রাকসু ফর র্যাডিক্যাল চেঞ্জ নামে আরও দুটি প্যানেল ঘোষণা করা হয়। মঙ্গলবার বিকালে ঘোষণা হয় ছাত্র ইউনিয়নের একাংশের আরেকটি প্যানেল। এ নিয়ে রাকসু নির্বাচনে এখন পর্যন্ত মোট ছয়টি প্যানেলের আত্মপ্রকাশ ঘটলো।







