লিখিত বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, আমি ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণ করি। সে সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক ও নীতিগত শূন্যতা বিরাজ করছিল। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সেই শূন্যতা পূরণ, ক্লাস ও পরীক্ষা স্বাভাবিক করা, ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা, গবেষণা উৎসাহিত করা এবং আবাসিক হলের ব্যবস্থাপনা উন্নত করার পাশাপাশি রাকসু নির্বাচন আয়োজনকে আমি আমার অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে দেখি। প্রক্টরিয়াল টিম ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সহযোগিতায় ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আমরা একযোগে কাজ করছি।
উপাচার্য বলেন, বিভিন্ন পরিস্থিতি ও পক্ষগুলোর পরামর্শে নির্বাচনের তারিখ একাধিকবার পরিবর্তন করতে হয়েছে। তবে আমরা ১৬ অক্টোবর রাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠানে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। আমি বিশ্বাস করি, রাকসু নির্বাচন এখন আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রাধিকারের বিষয়। তাই শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী—সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যদি আমরা এই নির্বাচন সফল করতে পারি, তবে বিশ্ববিদ্যালয় আরও এগিয়ে যাবে।
বিশ্ববিদালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মাঈন উদ্দীন বলেন, নির্বাচনের পরদিন থেকেই যেন নির্বাচিতরা তাদের নির্ধারিত রুমে বসতে পারে সেজন্য আজ থেকেই রাকসু ভবন মেরামতের কাজ শুরু করা হয়েছে।