তিনি বলেন, ‘যে কোনও বয়স, পেশা বা পরিচয়ের নারীকে অনলাইনে পুরুষেরা অপমানজনক শব্দে আক্রমণ করতে পারেন। তার কাছে আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো, এসব ব্যক্তির অনেকেই শিক্ষিত এবং সম্মানিত পরিবারের সদস্য। তাদের স্ত্রী, মা, কন্যা ও বোন থাকা সত্ত্বেও অন্য নারীর প্রতি অত্যন্ত অবমাননাকর ভাষা ব্যবহারে তারা দ্বিধা করেন না।’
এরপর শ্বেতা যেসব অ্যাকাউন্ট থেকে গালিগালাজ পেয়েছেন, সেগুলোর স্ক্রিনশটও শেয়ার করেন।
অন্য এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘একজন নারীকে এভাবে কথা বলার পর এসব মানুষ কীভাবে পরিবারের কাছে ফিরে যান? তাদের একজন রাজ ঠাকরে বা তার দলের সমর্থক বলেও জানান তিনি।’
শ্বেতা আরও জানান, তিনি সারা জীবন মহারাষ্ট্রে বেড়ে উঠেছেন। তার বাবাও মুম্বাইয়ে বড় হয়েছেন। ছোটবেলা থেকেই মারাঠি সংস্কৃতির প্রতি গর্ব ও নারীর প্রতি সম্মান দেখার অভিজ্ঞতা হয়েছে তার।তিনি প্রশ্ন করেন, যারা নিজেদের গর্বিত মারাঠি মানুষ হিসেবে পরিচয় দেন, তারা যদি নারীদের ব্যক্তিগত বার্তায় গিয়ে এভাবে গালিগালাজ করেন, তাহলে মারাঠি মানুষ হওয়ার অর্থ কি এটাই?
রাজ ঠাকরেকে উদ্দেশ্য করে শ্বেতা বলেন, ‘তার সমর্থকেরা যদি এ ধরনের আচরণ করেন, তাহলে তিনি জানতে চান—এ আচরণকে রাজ ঠাকরে গ্রহণযোগ্য মনে করেন কি না।’
শ্বেতা বলেন, ‘শুধু মারাঠি ভাষায় কথা বলা, নিজেকে মারাঠি মানুষ দাবি করা কিংবা মহারাষ্ট্রকে ভালোবাসার কথা বলাই যথেষ্ট নয়। কোনও নারীকে না চিনলেও তার সম্মান নষ্ট হয় না। মতের অমিল, অপছন্দ বা ব্যক্তিগত ক্ষোভের কারণে কোনও নারীকে অপমান করার অধিকার কারও নেই।তিনি বলেন, ‘নারীদের সম্মান করতে হবে—শুধু নিজের পছন্দের নারীকে নয়, সব নারীকে।’,প্রসঙ্গত, শ্বেতা তিওয়ারিকে বর্তমানে ‘দ্য ট্রেইটর্স’-এর দ্বিতীয় সিজনে দেখা যাচ্ছে







