বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন
/ লীড নিউজ
মাইক্রোসফট বাংলাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা – বিশেষজ্ঞ ও ডেভলপার তৈরি,স্টার্টআপদের মধ্যে ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস সক্ষমতা তৈরি এবং সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রদানের আগ্রহ ব্যক্ত করেছে। মাইক্রোসফট বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইউসুপ আরো পড়ুন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আগামীতে আরও দৃঢ় করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। সোমবার সকালে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এমনটাই জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘দুই নেতা আশা প্রকাশ করেছেন, বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আগামী দিনগুলোতে আরও গভীর হবে।’ রবিবার সন্ধ্যায় মোদি সরকারের মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের পর দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে একান্ত বৈঠকে এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। ড. মাহমুদ বলেন, 
২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে বর্ণনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকার প্রধান বলেন, সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা। বিশেষ করে খাদ্য মূল্য, সেখানে
শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের। প্রথমে ব্যাট করে মাত্র ১২৫ রান করে শ্রীলঙ্কা। মুস্তাফিজুরদের দাপটে বেশি রান করতে পারেনি তারা। বাংলাদেশ সেই রান তুলতে নেয় ১৯ ওভার। হাতে
ডলারের দাম বাড়ানোর ফলে মে মাসে রেকর্ড পরিমাণ রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এক মাসেই ২ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স এসেছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৬ হাজার ৩৭০ কোটি ৪০ লাখ টাকা
ছয় দফা দিবসে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “পাকিস্তান আমলে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েও বঞ্চিত ছিল পূর্ব বাংলা। নামিদামি অনেক নেতা থাকলেও পাকিস্তানের বঞ্চনা, বৈষম্যের প্রতিবাদ একমাত্র বঙ্গবন্ধুই করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের বঞ্চনা থেকে মানুষকে মুক্ত করতে চেয়েছিলেন সেজন্যই ছয় দফা দিয়েছিলেন।” শেখ হাসিনা বলেন, “বাজেটে মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতের দিকে নজর দেওয়া হয়েছে।  রিজার্ভ কত আছে সেদিকে না তাকিয়ে মানুষের নিত্য প্রয়োজন মেটানোই ছিল সরকারের একমাত্র লক্ষ্য।” তেজগাঁওস্থ ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ৬ দফা দিবস উপলক্ষ্যে শুক্রবার (৭ জুন) আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। বাজেটে এবার মৌলিক চাহিদাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা গতকাল বাজেট দিয়েছি, বিএনপির আমলে সবশেষ বাজেট মাত্র ৬২ হাজার কোটি টাকার ছিল। আর তত্ত্বাবধায়ক সরকার দিয়েছিল ৬৮ হাজার কোটি টাকার, সেখানে আমরা ৭ লাখ ৯৮ হাজার কোটি টাকা বাজেট প্রস্তাব করেছি। এই বাজেটে মানুষের মৌলিক যে অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য তারপর দেশীয় শিল্প, সেগুলো এবং সামাজিক নিরাপত্তা, এসব বিষয়কে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। যা মানুষের জীবনকে উন্নত করবে, নিশ্চয়তা দেবে। তার কারণ হচ্ছে, আমরা এগিয়ে যাচ্ছিলাম, কোভিড ১৯ এর অতিমারি দেখা দিয়েছিল, এই অতিমারির ফলে সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দা হয়েছে, আমরাও সেই মন্দায় পড়ে গেলাম। সারা বিশ্বে প্রতিটি জিনিসের দাম বেড়ে গেল। এরপর আসল ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধ, এরপর স্যাংশন পাল্টা স্যাংশন, ফলে প্রত্যেকটা জিনিসের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার প্রধান বলেন, আমাদের মানুষকে খাওয়াতে হবে আগে। রিজার্ভ কত আছে না আছে, সেটার চেয়ে বেশি দরকার আমার দেশের মানুষের চাহিদাটা পূরণ করা। সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমরা পানির মতো টাকা খরচ করেছি। বাংলাদেশ একমাত্র দেশ যেটা কোনো উন্নত দেশ করেনি, বিনা পয়সায় কোভিড ১৯ এর ভ্যাকসিন দিয়েছি, বিনা পয়সায় টেস্ট করিয়েছি। সেটা করেছি কেন? মানুষকে বাঁচাতে। চিকিৎসা বিনা পয়সায়, যে ডাক্তার চিকিৎসা করেছে তাদের প্রতিদিন আলাদা ভাতা দিতে হতো, এভাবে পানির মতো টাকা খরচ হয়েছে। তারপর যখন দাম বেড়েছে তখন ২০০ ডলারের গম ৬০০ ডলার করেও আমি কিনে নিয়ে এসেছি। ঠিক সেইভাবে ভোজ্যতেলের দাম বেড়েছে, উন্নত দেশগুলোও এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে। মানুষের চাহিদা পূরণের ভাবনা থেকেই এই বাজেট দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, অনেকে বসে বসে হিসাব কষে, আগে এত পার্সেন্ট বেড়েছে এবার কম পার্সেন্ট বাড়ল কেন? এখন সীমিত ভাবে আমরা এগিয়ে যেতে চাই। যাতে আমাদের দেশের মানুষের কষ্ট না হয়। মানুষের যে চাহিদা সেটা যেন পূরণ করতে পারি, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা বাজেট করেছি। কালো টাকা সাদা করা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা প্রশ্ন আসছে, কালো টাকা নিয়ে। কালো টাকা নিয়ে আমি শুনি, কালো টাকা সাদা করলে আর কেউ ট্যাক্স দেবে না। ঘটনা কিন্তু এটা না, এটা শুধু কালো টাকা নয়। জিনিসের দাম বেড়েছে, এখন এক কাঠা জমি যার আছে সেই কোটিপতি। কিন্তু সরকারি যে হিসেব, সেই হিসেবে কেউ জমি বিক্রি করে না। বেশি দামে বিক্রি করে, এতে কিছু টাকা উদ্বৃত্ত হয়। এই টাকাটা তারা নিজেদের কাছেই রাখে। এবার আমরা চেয়েছি এমন ব্যবস্থা করতে যাতে করে সামান্য কিছু টাকা দিয়ে তারা যেন সেটা আসল পথে নিয়ে আসে।
আত্মীয়-স্বজনদের দাওয়াত দিয়ে ধুমধাম করে বিয়ে করতে অনেকেই ভাড়া করেন কমিউনিটি সেন্টার বা কনভেনশন হল। বিয়ের গায়ে হলুদ, জন্মদিন, সুন্নতে খতনা, সভা, সেমিনার, পুনর্মিলনী বা যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা
‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের ভিশন ২০৪১ সাল। স্মার্ট বাংলাদেশে দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকবে ৩ শতাংশের কম মানুষ, আর চরম দারিদ্র্য নেমে আসবে শূন্যের কোঠায়। বৃহস্পতিবার (৬ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য