এই সরকারে কোনও প্রধানমন্ত্রী থাকছে না এবং নির্বাহী শাখার নেতৃত্ব দেবেন আল-শারাআ নিজেই।লেবাননের রাজধানী বৈরুত থেকে আল জাজিরার রেসুল সরদার জানান, আল-শারাআ ‘সিরিয়ার জনগণ ও বিশ্বকে দেখাতে চাইছেন যে নতুন সরকার দেশটির বিভিন্ন সম্প্রদায়কে অর্ন্তভূক্ত করছে।’এর আগে মানুষ প্রেসিডেন্টের সমালোচনা করছিল যে, তিনি তার সমস্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধুদেরই তত্ত্বাবধায়ক মন্ত্রিসভার মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন।
খ্রিস্টান সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্য এবং দীর্ঘদিন ধরে আসাদ-বিরোধী হিসেবে পরিচিত সিরিয়ার প্রবীণ বিরোধী নেতা হিন্দ কাবাওয়াতকে সমাজকল্যাণ ও শ্রমমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি হলেন প্রথম নারী, যাকে আল-শারাআ মন্ত্রীসভায় নিয়োগ দিয়েছেন।
মোহাম্মদ ইয়সর বারনিহকে অর্থমন্ত্রী করা হয়েছে। মুরহাফ আবু কাসরা ও আসাদ আল-শিবানিকে যথাক্রমে প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে পুনরায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা দুজনই পূর্ববর্তী তত্ত্বাবধায়ক মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন।
আসাদ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর, আল-শারাআর নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক মন্ত্রিসভা ডিসেম্বর থেকে সিরিয়া শাসন করে আসছে। জানুয়ারিতে, আল-শারাআকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করা হয়। ওই সময় তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার গঠন করবেন, যা সিরিয়ার বিধ্বস্ত জনপ্রশাসন পুনর্গঠনের পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছর পর্যন্ত দেশ পরিচালনা করবে, যতক্ষণ না নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
আল-শারাআ জানান, প্রথমবারের মতো তিনি একটি জরুরি পরিস্থিতি ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয় গঠন করেছেন এবং এর প্রধান হিসেবে হোয়াইট হেলমেটস-এর নেতা রায়েদ আল-সালেহকে নিয়োগ করা হয়েছে। আল সালেহ বিদ্রোহী-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় উদ্ধারকর্মী হিসেবে কাজ করছিলেন।







