চুক্তি স্বাক্ষরের পর এক ব্রিফিংয়ে জেলেনস্কি বলেছেন, “আমরা বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী এবং বৃহৎ একটি এয়ার ডিফেন্স পেতে যাচ্ছি।”
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ও দপ্তর এলিসি প্রাসাদ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই চুক্তি কেবল একটি ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত সমঝোতা নয়, বরং একটি রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির অংশ। এই প্রতিশ্রুতির অপর অংশ হলো রাশিয়ার ফ্রিজ করা অর্থ ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন কর্মসূচিতে পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করা।
ভিল্লাকুব্লে শহরে চুক্তি স্বাক্ষরের পর ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ সাংবাদিকদের বলেছেন, “আমরা ইউক্রেনকে ১০০ রাফায়েল প্রদানের পরিকল্পনা নিয়েছি। এটা একটা বিশাল ব্যাপার। আমরা মনে করি, আমাদের রাফায়েল, ড্রোন, গোলাবারুদ এবং এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইউক্রেনীয় সেনাবাহনীকে আরও সংগঠিত করে তুলবে।”
প্রসঙ্গত, ফ্রান্সের তৈরি রাফায়েল বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক ও শক্তিশালী যুদ্ধবিমানগুলোর মধ্যে একটি। পঞ্চম প্রজন্মের এই যুদ্ধবিমানের সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৩ হাজার ৭০০ কিলোমিটার এবং এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার ফুট ওপরে উঠতে সক্ষম। এই যুদ্ধবিমান একই সঙ্গে বেশ কয়েকটি বিভিন্ন পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে পারে ও একাধিক ভারী মেশিনগান সজ্জিত।