২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পরেই দলের অন্দরে ভাঙন স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। কালীঘাটের সঙ্গে দূরত্ব রচনা করে অনেকেই ঋতব্রতের নেতৃত্বে পৃথক শিবিরে যোগ দেন। মমতা এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব অস্বীকার করেন তাঁরা। বিধানসভাতেও তৃণমূলের সংখ্যাগরিষ্ঠ জয়ী বিধায়ক ঋতব্রতের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। বিরোধী দলনেতা হয়েছেন ঋতব্রত স্বয়ং। তাঁরা দাবি করছেন, তাঁরাই আসল তৃণমূল, কারণ সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন তাঁদের কাছে রয়েছে। তবে কালীঘাট শিবিরও দলের নিয়ন্ত্রণ কিংবা প্রতীক ছাড়তে নারাজ। তাঁদের বক্তব্য, দল তৈরি করেছেন মমতা। তাঁর নামকে সামনে রেখেই প্রার্থীরা ভোটে লড়েছেন এবং জয়ী হয়েছেন। তাই তাঁকে অস্বীকার করা বেআইনি। এই সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান চেয়ে দুই শিবিরই নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছিল।