আদিবাসী সমাজের উপরে লাগাতার অত্যাচারের অভিযোগ তুলে রাজ্য সরকার এবং শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির রাজ্য দফতরে মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করে কয়েকটি ভিডিয়ো এবং ছবি দেখান তিনি। ঘটনাচক্রে যে পাঁচ জনের উপরে ‘অত্যাচারে’র অভিযোগ শুভেন্দু তুলে ধরেন, তাঁরা সকলেই পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পুরুলিয়া জেলার বাসিন্দা। ২০১৯ সালে এই দুই জেলার আদিবাসী অঞ্চলে বিজেপি ভাল ফল করলেও পরবর্তী দু’টি নির্বাচনে ওই অঞ্চলে বিজেপির ফল ক্রমশ খারাপ হয়েছে। তাই ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে তৃণমূলের গায়ে ‘আদিবাসী-বিরোধী’ তকমা লাগাতে শুভেন্দু তৎপর বলে অনেকে মনে করছেন।
পুরুলিয়ার বান্দোয়ানে গত ১৪ অগস্ট নিজের শিশু সন্তানকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গিয়ে আদিবাসী মা এক হাসপাতাল কর্মীর হাতে শ্লীলতাহানির শিকার হন বলে শুভেন্দু অভিযোগ করেন। ঘোমটায় মুখ ঢাকা এক মহিলার ভিডিয়ো-বয়ানও সাংবাদিক বৈঠকে দেখানো হয়। অভিযুক্তকে শুভেন্দু ‘একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের’ উল্লেখ করেন বলে।
১৫ অগস্ট সুবল সোরেন নামে যে শিক্ষক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান, সেই ঘটনাকেও আদিবাসীদের উপরে অত্যাচারের ঘটনা হিসেবে শুভেন্দু ব্যাখ্যা করেছেন। ‘যোগ্য শিক্ষক’ হয়েও চাকরিজীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় সুবল হৃদরোগে আক্রান্ত হন বলে শুভেন্দুর দাবি। এর জন্য মুখ্যমন্ত্রী দায়ী বলেও বিরোধী দলনেতা মন্তব্য করেন।