বিষয়টি জানাজানি হলে দশম ব্যাচের ওই শিক্ষার্থীর কয়েকজন সহপাঠী মাঠে যান। তখন তাদের মারধর করে দ্বাদশ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। তাতে মার্কেটিং বিভাগের তিন শিক্ষার্থী আহত হন। তাদের দুজনকে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।ওই ঘটনার পর মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেটের সামনে জড়ো হতে শুরু করেন। অন্যদিকে অ্যাকাউন্টিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিটাক ভবন এলাকায় জড়ো হন। পরে মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিটাক ভবনের দিকে গেলে দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলা এই সংঘর্ষে আরও অন্তত ১০ জন আহত হন।
অ্যাকাউন্টিং বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেছেন, তারা মীমাংসায় বসার জন্য প্রস্তুত। তবে এ ঘটনা নিয়ে কোনও বক্তব্য দিতে রাজি নন।প্রক্টর রাহাত হোসাইন ফয়সাল বলেন, ‘উভয়পক্ষের কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। আগামীকাল তাদের নিয়ে বসে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করবো।’
বরিশাল মহানগর পুলিশের বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ফুটবল খেলা নিয়ে দুই দল শিক্ষার্থীর মধ্যে একটু মারামারি হয়েছে। উভয়পক্ষের ঢিল ছোড়াছুড়ির মধ্যে উপাচার্যসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করেছে।’







